ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাণিজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব

  • মাহমুদুল করিম খান
  • প্রকাশ : ০২:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশে এক ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে দেশে। এছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সহিংসতাও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির ওপর। এতে উৎকণ্ঠায় পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা।

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থায়ন সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং রাজস্ব আদায়ের ধীরগতি সব মিলিয়ে দেশের অর্থনীতি এখন বহুমুখী সংকটে পড়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক বছরের উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব তো আছেই। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহিংস কর্মসূচিও ব্যবসায়

প্রভাব ফেলছে। আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ আতঙ্কে ব্যবসার গতিও কমেছে। বেচাকেনাও কমে গেছে। নতুন বিনিয়োগে খরা এবং অর্থনৈতিক সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্ভাবনাময় অনেক শিল্প-কারখানা যেমন অর্থাভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না, তেমনি বহু প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান নতুন করে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে না। এমন সময় ফের অস্থিরতা বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি অর্জন হয় নাই। যদি স্ট্যাবিলিটি নিয়ে আসতে পারতো তাহলে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি হতো। বরং রেকর্ড হয়েছে নিম্নগামীর দিকে। যদি বৈদেশিক ও আমাদের ডোমেস্টিক বিনিয়োগের কথা বলেন তাহলে আমাদের চোখ বন্ধ করে ১৮-২০ বছর পেছাতে হয়।’
সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘যেকোনো রাজনৈতিক ট্রানজিশনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হলে দেশের ভেতর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এবং দেশের মানুষ আসলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনেই দেশ পরিচালনা পছন্দ করেন। যেহেতু একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে অন্তর্র্বতী সরকার দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেটি দ্রুত শেষ করে নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা যায় সেটি আসলে এ মুহূর্তে জনগণের প্রত্যাশা।’

দেশের ইতিহাসে প্রায় প্রতিটি নির্বাচন ঘিরেই দেখা যায় অস্থিরতা। এবারও নির্বাচন ঘিরে অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। এছাড়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘিরে গত কয়েকদিনে বেশ কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। বাসে আগুন, পেট্রোলবোমা, ককটেল বিস্ফোরণ বেশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেক মানুষ বাইরে বের হওয়ার সাহস করেননি। যার ফলে খুচরা ও পাইকারি বাজারে কেনাকাটায় কিছুটা স্থবিরতা ছিল।

ঢাকার ব্যবসাকেন্দ্র পুরান ঢাকার ইংলিশ রোড, বংশাল, শ্যামবাজার ও মৌলভীবাজার ঘুরে কেনাবেচায় বেশ স্থবিরতা দেখা যায়। পাশাপাশি রাজধানীর বসুন্ধরা শপিংমল, পল্টনের চায়না টাউন মার্কেট, মৌচাক মার্কেট ও খিলগাঁও এলাকার বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতা ছিল কম। ক্রেতার অপেক্ষায় অলস সময় পার করেছেন বেশিরভাগ বিক্রেতা। একই অবস্থা ছিল হোটেল-রেস্তোঁরা, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও।

মৌচাক মার্কেটে নিউ জড়োয়া ফ্যাশনের কর্ণধার ফিরোজ আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের তৈরি আতঙ্কে বাজারে আসছেন না মানুষ। আমাদের বিক্রি কমে গেছে। আগে দিনে ১০-১২ হাজার টাকার কেনাবেচা হলেও এখন অর্ধেকও হচ্ছে না। মানুষ নিছক প্রয়োজন ছাড়া মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসছে না।’

বিক্রি কমেছে ফুটপাতেও। নিউমার্কেটের ফুটপাতে শীতের পোশাক বিক্রেতা এজাজুল বলেন, ‘এখন শীতের পোশাকের রমরমা বিক্রির সময়। কিন্তু হুটহাট ককটেল আর বাসে আগুন দেওয়ায় অনেকে ভয়ে মার্কেটে আসছে না। বিক্রিও হচ্ছে না। পুরো নিউমার্কেট এলাকায় এখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ক্রেতা অর্ধেক থাকে।’

বিক্রি কমেছে পাইকারি বাজারেও। ঢাকার সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বশির উদ্দিন বলেন, ‘এখন আমিও যখন বাসা থেকে বের হই, বাসায় বলে আজ যেও না, গণ্ডগোল হতে পারে। এই যে মানুষের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা, সেটা কাটছে না।’

তিনি বলেন, ‘এ কারণে ঢাকার বাইরে থেকে অনেক পাইকারি ক্রেতা বাজারে আসছে না। গাড়ি-ঘোড়াও কম চলে। বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে। শুধু ঢাকার কিছু লোকজন আসছে।’
একই ধরনের বিক্রি কমার কথা বলেছেন নিত্যপণ্যের অন্যতম বাজার পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি ফরিদ উদ্দিনও।

কারওয়ান বাজারের আড়ত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, ‘অস্থিতিশীলতায় সরবরাহ কমায় এখন অনেক সবজির দাম বাড়ছে এই কথিত লকডাউন আর শাটডাউনে।’
বড় বড় করপোরেট ব্যবসায়ীরাও কথা বলছেন একই সুরে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেশের অন্যতম শীর্ষ ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যাদের কাছ থেকে পণ্য কিনছি, বিক্রি করছি- সবখানে স্থবিরতা রয়েছে। তবে এটি একটি ট্রানজিশন পিরিয়ড। আশা করছি দ্রুত এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে দেশ।’

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘বায়াররাও এ সময়টাতে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করছে। যে তাদে যারা আসতে চাচ্ছিল এ সময়ের প্রেক্ষাপটে তারা আসতে চাচ্ছে না। কোনো কোনো বায়ার বা ক্রেতা বলছে ঠিক আছে তোমাদের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসুক, নির্বাচন হোক এরপর আমরা অন্য কিছু চিন্তাভাবনা করি। আবার যারা বিনিয়োগ করবে তারাও অপেক্ষা করছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোনদিকে যায় সেটা বোঝার চেষ্টা করছে।’

বাণিজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব

প্রকাশ : ০২:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে দেশে এক ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে দেশে। এছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সহিংসতাও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির ওপর। এতে উৎকণ্ঠায় পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা।

ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থায়ন সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং রাজস্ব আদায়ের ধীরগতি সব মিলিয়ে দেশের অর্থনীতি এখন বহুমুখী সংকটে পড়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত কয়েক বছরের উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব তো আছেই। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহিংস কর্মসূচিও ব্যবসায়

প্রভাব ফেলছে। আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ আতঙ্কে ব্যবসার গতিও কমেছে। বেচাকেনাও কমে গেছে। নতুন বিনিয়োগে খরা এবং অর্থনৈতিক সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্ভাবনাময় অনেক শিল্প-কারখানা যেমন অর্থাভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না, তেমনি বহু প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান নতুন করে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে না। এমন সময় ফের অস্থিরতা বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি অর্জন হয় নাই। যদি স্ট্যাবিলিটি নিয়ে আসতে পারতো তাহলে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি হতো। বরং রেকর্ড হয়েছে নিম্নগামীর দিকে। যদি বৈদেশিক ও আমাদের ডোমেস্টিক বিনিয়োগের কথা বলেন তাহলে আমাদের চোখ বন্ধ করে ১৮-২০ বছর পেছাতে হয়।’
সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘যেকোনো রাজনৈতিক ট্রানজিশনের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হলে দেশের ভেতর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এবং দেশের মানুষ আসলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনেই দেশ পরিচালনা পছন্দ করেন। যেহেতু একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে অন্তর্র্বতী সরকার দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেটি দ্রুত শেষ করে নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা যায় সেটি আসলে এ মুহূর্তে জনগণের প্রত্যাশা।’

দেশের ইতিহাসে প্রায় প্রতিটি নির্বাচন ঘিরেই দেখা যায় অস্থিরতা। এবারও নির্বাচন ঘিরে অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। এছাড়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘিরে গত কয়েকদিনে বেশ কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। বাসে আগুন, পেট্রোলবোমা, ককটেল বিস্ফোরণ বেশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেক মানুষ বাইরে বের হওয়ার সাহস করেননি। যার ফলে খুচরা ও পাইকারি বাজারে কেনাকাটায় কিছুটা স্থবিরতা ছিল।

ঢাকার ব্যবসাকেন্দ্র পুরান ঢাকার ইংলিশ রোড, বংশাল, শ্যামবাজার ও মৌলভীবাজার ঘুরে কেনাবেচায় বেশ স্থবিরতা দেখা যায়। পাশাপাশি রাজধানীর বসুন্ধরা শপিংমল, পল্টনের চায়না টাউন মার্কেট, মৌচাক মার্কেট ও খিলগাঁও এলাকার বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতা ছিল কম। ক্রেতার অপেক্ষায় অলস সময় পার করেছেন বেশিরভাগ বিক্রেতা। একই অবস্থা ছিল হোটেল-রেস্তোঁরা, বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও।

মৌচাক মার্কেটে নিউ জড়োয়া ফ্যাশনের কর্ণধার ফিরোজ আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের তৈরি আতঙ্কে বাজারে আসছেন না মানুষ। আমাদের বিক্রি কমে গেছে। আগে দিনে ১০-১২ হাজার টাকার কেনাবেচা হলেও এখন অর্ধেকও হচ্ছে না। মানুষ নিছক প্রয়োজন ছাড়া মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসছে না।’

বিক্রি কমেছে ফুটপাতেও। নিউমার্কেটের ফুটপাতে শীতের পোশাক বিক্রেতা এজাজুল বলেন, ‘এখন শীতের পোশাকের রমরমা বিক্রির সময়। কিন্তু হুটহাট ককটেল আর বাসে আগুন দেওয়ায় অনেকে ভয়ে মার্কেটে আসছে না। বিক্রিও হচ্ছে না। পুরো নিউমার্কেট এলাকায় এখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ক্রেতা অর্ধেক থাকে।’

বিক্রি কমেছে পাইকারি বাজারেও। ঢাকার সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বশির উদ্দিন বলেন, ‘এখন আমিও যখন বাসা থেকে বের হই, বাসায় বলে আজ যেও না, গণ্ডগোল হতে পারে। এই যে মানুষের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা, সেটা কাটছে না।’

তিনি বলেন, ‘এ কারণে ঢাকার বাইরে থেকে অনেক পাইকারি ক্রেতা বাজারে আসছে না। গাড়ি-ঘোড়াও কম চলে। বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে। শুধু ঢাকার কিছু লোকজন আসছে।’
একই ধরনের বিক্রি কমার কথা বলেছেন নিত্যপণ্যের অন্যতম বাজার পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি ফরিদ উদ্দিনও।

কারওয়ান বাজারের আড়ত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, ‘অস্থিতিশীলতায় সরবরাহ কমায় এখন অনেক সবজির দাম বাড়ছে এই কথিত লকডাউন আর শাটডাউনে।’
বড় বড় করপোরেট ব্যবসায়ীরাও কথা বলছেন একই সুরে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেশের অন্যতম শীর্ষ ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যাদের কাছ থেকে পণ্য কিনছি, বিক্রি করছি- সবখানে স্থবিরতা রয়েছে। তবে এটি একটি ট্রানজিশন পিরিয়ড। আশা করছি দ্রুত এ পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে দেশ।’

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘বায়াররাও এ সময়টাতে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করছে। যে তাদে যারা আসতে চাচ্ছিল এ সময়ের প্রেক্ষাপটে তারা আসতে চাচ্ছে না। কোনো কোনো বায়ার বা ক্রেতা বলছে ঠিক আছে তোমাদের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসুক, নির্বাচন হোক এরপর আমরা অন্য কিছু চিন্তাভাবনা করি। আবার যারা বিনিয়োগ করবে তারাও অপেক্ষা করছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোনদিকে যায় সেটা বোঝার চেষ্টা করছে।’