ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংস্কার নিয়ে আমরা আলোচনা চলমান রাখতে চাই- সালাহ উদ্দিন আহমদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিএনপি

সংস্কারে সিরিয়াস বিএনপি, আছে ঐকমত্যের চেষ্টাও

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০১:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • ৪৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে নয়, বরং বিএনপি সংস্কারেরই দল। সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত মৌলিক প্রস্তাবের বিষয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এক জায়গায়, ঐকমত্যে আসার চেষ্টা করবে দলটি। তবে সংস্কার কেন ভোটাধিকার আর গণতন্ত্রের বিকল্প হবে, এমন প্রশ্নও উঠেছে দলটির পক্ষ থেকে
সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
আলোচনার শুরুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা বুধবার প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি, বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে নয়, বিএনপি সংস্কারেরই দল। কিন্তু কেউ কেউ নানান কথা বলেন। তাঁরা যখন সংস্কারের দন্ত্য-স উচ্চারণ করেননি, তখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ দিয়েছেন।’

গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমাদের সামনে আরেকবার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, আমরা তা কাজে লাগাতে চাই। আমরা এই কমিশনকে সহযোগিতা করছি, এই সরকারকে সহযোগিতা করছি, সেই প্রত্যাশা নিয়েই।’

যদি ঐকমত্য কমিশনের কোনো সনদ না-ও হয়, বিএনপির জন্য সংস্কারের সনদ রয়েছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সম্মতিতে যেন সব হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আর জনগণ কার মাধ্যমে সম্মতি জানায়, তা আমরা জানি।’

আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ অংশ নেন। আলোচনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত মৌলিক প্রস্তাবের বিষয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এক জায়গায়, ঐকমত্যে আসার চেষ্টা করবে তাঁর দল।

সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপির দফাওয়ারি আলোচনা হচ্ছে। কমিশন স্প্রেডশিটে ‘হ্যাঁ-না’ সংক্ষিপ্ত জবাব দেওয়ার জন্য যে কাগজ দিয়েছিল, তাতে অনেকটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, ‘মিসলিড’ করা হয়েছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের বিস্তারিত প্রতিবেদনে ১৩১টি প্রস্তাব থাকলেও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের স্প্রেডশিটে ৭০টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে শুরু করে প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্রের মূলনীতিসহ সব বিষয়ে দফায় দফায় আলোচনা করবেন তাঁরা। সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত মৌলিক প্রস্তাবের বিষয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চেষ্টা করবেন এক জায়গায় আসার জন্য।

সালাহ উদ্দিন আহমদ জানান, বিএনপি সংবিধান সংস্কার কমিশনের ২৫টি প্রস্তাবের সঙ্গে একমত। ২৫টির মতো বিষয়ে আংশিকভাবে একমত। বাকি বিষয়গুলোতে একমত হতে পারেনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা যেসব বিষয়ে বিস্তারিত মতামত দিয়েছি, সে বিষয়ে কমিশনকে যৌক্তিকভাবে বোঝাব এবং তাদের প্রস্তাবের বিষয়েও আমরা যৌক্তিকভাবে জানতে চাচ্ছি। যেটা যৌক্তিক, সেটা জাতির কল্যাণের দিকে লক্ষ রেখে আমরা সেটা অবশ্যই বিবেচনা করব।’
সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার দিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারপর বিচার বিভাগ, নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে। আজ আলোচনা শেষ না হলে পরেও আলোচনা হবে। তাঁরা বোঝাতে চান, বিএনপি সংস্কারের বিষয়ে কতটা ‘সিরিয়াস’।

গত ২৩শে মার্চ ঐকমত্য কমিশনে সংস্কারের মতামত জমা দেয়ার পর এই বৈঠক হচ্ছে। এর আগে পাঁচটি সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশের বিষয়ে মতামত চেয়ে ৩৭টি রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে ‘স্প্রেড শিট’ (ছক আকারে) পাঠিয়েছিল ঐকমত্য কমিশন।

আলোচনার শুরুতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জাতীয় সনদ তৈরি করা, যাতে বাংলাদেশে একটি স্থায়ী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারি।’

তবে সংস্কার কেন ভোটাধিকার আর গণতন্ত্রের বিকল্প হবে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, যে ভোটাধিকারের জন্য ১৫ থেকে ১৬ বছর সংগ্রাম করেছেন, সেই ভোটাধিকার কেন বিলম্বিত হচ্ছে? সেটা নিয়ে কেন এত কথা হচ্ছে? কেন নির্বাচন ও ভোটাধিকারের বিকল্প হিসেবে সংস্কারকে দাঁড় করানো হচ্ছে?

এদিন দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এমন প্রশ্ন তুলেছেন রুহুল কবির রিজভী। গুম হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অন্তর্র্বতী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির নেতা রিজভী বলেন, ‘আমরা ভোট, নির্বাচন ও ভোটাধিকারের কথা বললে সরকার আরও কিছু কথা বিকল্প হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। গণতন্ত্র মানেই তো নির্বাচন। গণতন্ত্র মানেই তো ন্যায়বিচার। সেগুলো নিয়ে কি করছেন?ডিসেম্বর-জুনের দোলনার মধ্যে কেন বাংলাদেশের নির্বাচনী ওয়াদা ধুলছে, এমন প্রশ্ন তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা ডিসেম্বর আর জুনের মধ্যে পেন্ডুলামের মতো দুল খাচ্ছে কেন? অন্তর্র্বতী সরকারকে এটার জবাব দেওয়া দরকার।

বিএনপির ১৫ থেকে ১৬ বছরের আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে রিজভী বলেন, ‘আমরা তো চেয়েছি একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আমরা চেয়েছি, আমাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। আমরা চেয়েছি, আইনের শাসন নিশ্চিত করা। অন্তর্র্বতী সরকারকেই জায়গাটি নিশ্চিত করা দরকার।’

সংস্কার নিয়ে আমরা আলোচনা চলমান রাখতে চাই- সালাহ উদ্দিন আহমদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিএনপি

সংস্কারে সিরিয়াস বিএনপি, আছে ঐকমত্যের চেষ্টাও

প্রকাশ : ০১:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে নয়, বরং বিএনপি সংস্কারেরই দল। সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত মৌলিক প্রস্তাবের বিষয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এক জায়গায়, ঐকমত্যে আসার চেষ্টা করবে দলটি। তবে সংস্কার কেন ভোটাধিকার আর গণতন্ত্রের বিকল্প হবে, এমন প্রশ্নও উঠেছে দলটির পক্ষ থেকে
সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
আলোচনার শুরুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা বুধবার প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি, বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে নয়, বিএনপি সংস্কারেরই দল। কিন্তু কেউ কেউ নানান কথা বলেন। তাঁরা যখন সংস্কারের দন্ত্য-স উচ্চারণ করেননি, তখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ দিয়েছেন।’

গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমাদের সামনে আরেকবার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, আমরা তা কাজে লাগাতে চাই। আমরা এই কমিশনকে সহযোগিতা করছি, এই সরকারকে সহযোগিতা করছি, সেই প্রত্যাশা নিয়েই।’

যদি ঐকমত্য কমিশনের কোনো সনদ না-ও হয়, বিএনপির জন্য সংস্কারের সনদ রয়েছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সম্মতিতে যেন সব হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আর জনগণ কার মাধ্যমে সম্মতি জানায়, তা আমরা জানি।’

আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ অংশ নেন। আলোচনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত মৌলিক প্রস্তাবের বিষয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এক জায়গায়, ঐকমত্যে আসার চেষ্টা করবে তাঁর দল।

সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বিএনপির দফাওয়ারি আলোচনা হচ্ছে। কমিশন স্প্রেডশিটে ‘হ্যাঁ-না’ সংক্ষিপ্ত জবাব দেওয়ার জন্য যে কাগজ দিয়েছিল, তাতে অনেকটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, ‘মিসলিড’ করা হয়েছে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের বিস্তারিত প্রতিবেদনে ১৩১টি প্রস্তাব থাকলেও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের স্প্রেডশিটে ৭০টি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে শুরু করে প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্রের মূলনীতিসহ সব বিষয়ে দফায় দফায় আলোচনা করবেন তাঁরা। সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত মৌলিক প্রস্তাবের বিষয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে চেষ্টা করবেন এক জায়গায় আসার জন্য।

সালাহ উদ্দিন আহমদ জানান, বিএনপি সংবিধান সংস্কার কমিশনের ২৫টি প্রস্তাবের সঙ্গে একমত। ২৫টির মতো বিষয়ে আংশিকভাবে একমত। বাকি বিষয়গুলোতে একমত হতে পারেনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আমরা যেসব বিষয়ে বিস্তারিত মতামত দিয়েছি, সে বিষয়ে কমিশনকে যৌক্তিকভাবে বোঝাব এবং তাদের প্রস্তাবের বিষয়েও আমরা যৌক্তিকভাবে জানতে চাচ্ছি। যেটা যৌক্তিক, সেটা জাতির কল্যাণের দিকে লক্ষ রেখে আমরা সেটা অবশ্যই বিবেচনা করব।’
সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংস্কার দিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারপর বিচার বিভাগ, নির্বাচনব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে। আজ আলোচনা শেষ না হলে পরেও আলোচনা হবে। তাঁরা বোঝাতে চান, বিএনপি সংস্কারের বিষয়ে কতটা ‘সিরিয়াস’।

গত ২৩শে মার্চ ঐকমত্য কমিশনে সংস্কারের মতামত জমা দেয়ার পর এই বৈঠক হচ্ছে। এর আগে পাঁচটি সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশের বিষয়ে মতামত চেয়ে ৩৭টি রাজনৈতিক দল ও জোটের কাছে ‘স্প্রেড শিট’ (ছক আকারে) পাঠিয়েছিল ঐকমত্য কমিশন।

আলোচনার শুরুতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে জাতীয় সনদ তৈরি করা, যাতে বাংলাদেশে একটি স্থায়ী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারি।’

তবে সংস্কার কেন ভোটাধিকার আর গণতন্ত্রের বিকল্প হবে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, যে ভোটাধিকারের জন্য ১৫ থেকে ১৬ বছর সংগ্রাম করেছেন, সেই ভোটাধিকার কেন বিলম্বিত হচ্ছে? সেটা নিয়ে কেন এত কথা হচ্ছে? কেন নির্বাচন ও ভোটাধিকারের বিকল্প হিসেবে সংস্কারকে দাঁড় করানো হচ্ছে?

এদিন দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এমন প্রশ্ন তুলেছেন রুহুল কবির রিজভী। গুম হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অন্তর্র্বতী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির নেতা রিজভী বলেন, ‘আমরা ভোট, নির্বাচন ও ভোটাধিকারের কথা বললে সরকার আরও কিছু কথা বিকল্প হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। গণতন্ত্র মানেই তো নির্বাচন। গণতন্ত্র মানেই তো ন্যায়বিচার। সেগুলো নিয়ে কি করছেন?ডিসেম্বর-জুনের দোলনার মধ্যে কেন বাংলাদেশের নির্বাচনী ওয়াদা ধুলছে, এমন প্রশ্ন তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা ডিসেম্বর আর জুনের মধ্যে পেন্ডুলামের মতো দুল খাচ্ছে কেন? অন্তর্র্বতী সরকারকে এটার জবাব দেওয়া দরকার।

বিএনপির ১৫ থেকে ১৬ বছরের আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে রিজভী বলেন, ‘আমরা তো চেয়েছি একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আমরা চেয়েছি, আমাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। আমরা চেয়েছি, আইনের শাসন নিশ্চিত করা। অন্তর্র্বতী সরকারকেই জায়গাটি নিশ্চিত করা দরকার।’