![]()
হ্যালো চিফ অ্যাডভাইজার অফিস
সোস্যাল ইনফ্লুয়েন্সার হচ্ছেন তিনি যিনি সমাজে তার ভালো কাজের প্রভাব ফেলেন। কিন্তু এসব ইনফ্লুয়েন্সাররা উগ্র জীবনযাপন করছেন, লাইভে এসে ফাঁসি দেওয়ার চেস্টা করছেন, ঘুমের ঔষধ খাচ্ছেন সেটাও লোক দেখিয়ে, কেউবা হাটুঁর বয়সি ছেলের সাথে লিভ ইন রিলেশনশীপে যেয়ে ঔ পিচ্চি ছেলের হাতে বেধড়ক মার খেয়ে ফেসবুকে এসে পাবলিকের কাছে বিচার চাইছেন। আচ্ছা পাবলিক আপনাদের কি বিচার করবে?

আপনি যখন একটা টোকাইকে রাস্তা থেকে তুলে সোজা বেডরুমে নিয়ে গিয়েছিলেন তখন বুঝেন নাই যে এর ফলাফল কত খারাপ হতে পার??এই ভয়ংকর জিনিসগুলো আমাদের সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যুব সমাজকে ধংব্সের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সম্প্রতি বর্ষা চৌধুরী নামে একজন সোস্যাল ইনফ্লুয়েন্সার ও ব্র্যান্ড প্রমোটারকে দেখলাম একের পর এক বিয়ে করে এক একটা বিপদে পড়ছেন আর একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলো সোস্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরছেন।
এক পর্যায়ে তিনি সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগাতে গিয়ে ব্যর্থ হলেন সেটাও লাইভে। তিনি ব্যাখ্যা দিচ্ছেন তার বাচ্চাদের জন্য পাপা আনতে গিয়ে বার বার বিয়ে করছেন। আচছা বলুনতো এই পাপাদের দিয়ে আপনার বাচ্চার কোন উপকার হচ্ছে?
বর্ষার ভাষ্যমতে লোকগুলো জঘন্য খারাপ, তাহলেতো আপনার টিনএজ মেয়েটি এদের দ্বারা ধর্ষণের শিকারও হতে পারতো। বাচ্চারা বড় হবার সঙ্গে সঙ্গে একজন মাকে অনেক সংযত ও সচেতন হতে হয়। অথচ ঘরে মেয়ে শিশু থাকার পরও আপনারা সচেতন না হয়ে একের পর এক চেংড়া চেংড়া পাপা ধরে আনতেছেন?
সমাজের অন্য বাচ্চাদের কথা বাদ দিলাম, আপনিতো নিজের মেয়ে বাচ্চাকে হুমকির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। আপনি না ব্র্যান্ড প্রমোটার? নিজেকেইতো ঠিকমতো প্রমোট করতে পারছেন না।
দয়া করে আপনার বিয়েসাদী, ফাঁসি দিতে যাওয়া, ঘুমের বড়ি খাওয়া এগুলো পাবলিক নয়, প্রাইভেট করে রাখুন। না হলে সমাজ নস্টের দায় একদিন আপনাকে নিতে হবে। সেদিন কিন্তু মবজাস্টিসের হাত থেকে আপনাদের কেউ রক্ষা করতে পারবেনা।
লেখক: সাংবাদিক নেতা, সিটি এডিটর বাংলাদেশ পোস্ট
নাসিমা সোমা 














