দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত একদিনে মারা গেছেন আরও ৩ জন। আর এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪১১ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হলো ৪০৪ জনের। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ৪৯৩ জনে।
গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। এ বছর ডিসেম্বর মাসের অর্ধকে সময় না যেতেই সংক্রমণের সংখ্যা গত বছরের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, গত একদিনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১৬৯ জন। এর বাইরে চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬১। তাদের নিয়ে চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে ৯৯ হাজার ৪৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর এখন পর্যন্ত এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪০৪ জন।
চলতি বছর নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও সংক্রমণ হয়। গত বছর নভেম্বরে সর্বোচ্চ মৃত্যু হলেও সর্বোচ্চ সংক্রমণ হয়েছিল অক্টোবর মাসে। তবে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সংক্রমণ অনেক কমে গিয়েছিল।
তবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে সংক্রমণ গত বছরের মতো দ্রুত না-ও কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, নভেম্বর মাসে যে বৃষ্টি হয়েছিল, তার কারণে এ মাসের অন্তত মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্ক এডিস মশা টিকে থাকবে। পাশাপাশি মশা নিধন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোও সক্রিয় নয়।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ডেঙ্গুর আক্রমণ বেশি পরিমাণে কমার জন্য আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ওই বছর ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে মারা যান ৯৩ জন। ঘটনাটি সাধারণ মানুষের কাছে নতুন ছিল। ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত ও মারা যান ২০২৩ সালে। সে বছর আক্রান্ত হয়েছিলেন তিন লাখের বেশি মানুষ, মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।
দেশ প্রতিবেদক 









