ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদির পর হামলা : গুলি করে মাসুদ, মোটরসাইকেলের চালক ছিল আলমগীর

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ১২:০২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলির ঘটনায় দুই হামলাকারীকে চিহ্নিত করার কথা জানিয়েছে ডিএমপি। তারা হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ। এর মধ্যে মাসুদ গুলি করেছে এবং আলমগীর মোটরসাইকেলের চালকের আসনে ছিলেন। রোববার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিকসহ সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মোটরসাইকেল ও দুই হামলাকারীর পাসপোর্ট।

নজরুল ইসলাম বলেন, গত শুক্রবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ন্যক্কারজনক হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই ঘটনার পরপরই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে দুই হামলাকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

তারা হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদ ও মো. আলমগীর শেখ। ঘটনার তদন্তে জানা যায়, হামলাকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা হেলমেট পরিহিত অবস্থায় ভুক্তভোগী শরিফ ওসমান হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও শনাক্তকৃত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ও অভিযান চলমান রয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা যেন সীমান্ত পার হতে না পারে সেজন্য তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদেরকে গ্রেপ্তারে সহযোগিতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সীমান্ত দিয়ে লোক পারাপারে জড়িত সন্দেহে আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি, ইতিমধ্যে আমরা নিয়ে আসছি। র‌্যাব মোটরসাইকেলের মালিককে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমরা কাজ করছি। ঘটনার দিনে যে মোটরসাইকেলটি ব্যবহৃত হয়েছিল এটি উদ্ধার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। ইমিগ্রেশন চেক করে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজনদের পালিয়ে যাওয়ার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু একজন জুলাই যোদ্ধা হাদিই না, লক্ষ জুলাই যোদ্ধা আছে। তাদের সবার নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব না। তবে হাই থ্রেট যাদের আছে, তাদের নিরাপত্তা দেয়া হবে।

জনপ্রিয়

হাদির পর হামলা : গুলি করে মাসুদ, মোটরসাইকেলের চালক ছিল আলমগীর

প্রকাশ : ১২:০২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলির ঘটনায় দুই হামলাকারীকে চিহ্নিত করার কথা জানিয়েছে ডিএমপি। তারা হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ। এর মধ্যে মাসুদ গুলি করেছে এবং আলমগীর মোটরসাইকেলের চালকের আসনে ছিলেন। রোববার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিকসহ সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মোটরসাইকেল ও দুই হামলাকারীর পাসপোর্ট।

নজরুল ইসলাম বলেন, গত শুক্রবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ন্যক্কারজনক হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই ঘটনার পরপরই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে দুই হামলাকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

তারা হলেন- ফয়সাল করিম মাসুদ ও মো. আলমগীর শেখ। ঘটনার তদন্তে জানা যায়, হামলাকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা হেলমেট পরিহিত অবস্থায় ভুক্তভোগী শরিফ ওসমান হাদিকে খুব কাছ থেকে গুলি করে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও শনাক্তকৃত সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ও অভিযান চলমান রয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা যেন সীমান্ত পার হতে না পারে সেজন্য তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। সীমান্তে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদেরকে গ্রেপ্তারে সহযোগিতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সীমান্ত দিয়ে লোক পারাপারে জড়িত সন্দেহে আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি, ইতিমধ্যে আমরা নিয়ে আসছি। র‌্যাব মোটরসাইকেলের মালিককে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমরা কাজ করছি। ঘটনার দিনে যে মোটরসাইকেলটি ব্যবহৃত হয়েছিল এটি উদ্ধার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। ইমিগ্রেশন চেক করে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজনদের পালিয়ে যাওয়ার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু একজন জুলাই যোদ্ধা হাদিই না, লক্ষ জুলাই যোদ্ধা আছে। তাদের সবার নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব না। তবে হাই থ্রেট যাদের আছে, তাদের নিরাপত্তা দেয়া হবে।