ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজ থেকে শুরু বিনিয়োগ সম্মেলন, অংশ নিচ্ছেন অর্ধশতাধিক দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ সুযোগ দেখছে বাংলাদেশ

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০৬:১২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫
  • ৬৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আজ থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলন। আগামী ৯ এপ্রিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা। বাংলাদেশসহ অর্ধশতাধিক দেশের শীর্ষ পর্যায়ের সাড়ে পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন এ সম্মেলনে। এছাড়া সম্মেলনে পাঁচজন বিনিয়োগকারীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেওয়া হবে। পাশাপাশি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) সঙ্গে একটি বেসমারিক চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিনিয়োগ সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশের ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছে, সেটি সামলে নেওয়া খুব বেশি কঠিন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই শুল্কনীতিতে বড় কোনো প্রভাব পড়বে না। দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যে কোনো বৈশ্বিক চাপে সরকার তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।
মার্কিন শুল্কারোপ আমাদের জন্য ভালো সংকেত উল্লেখ করে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো আমাদের সঙ্গে একই নৌকায় আছে। সুতরাং, তাদের যাত্রা যে পথে হবে, আমাদেরটাও সম্ভবত সেদিকেই হবে। আমি এটা নিয়ে একেবারেই চিন্তিত না যে, বিনিয়োগ সম্মেলনের ঠিক ৪ দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তিত নীতি আমাদের জন্য নেতিবাচক হয়ে গেলো কিনা। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এটা একটি ভালো সংকেত। আমরা এটাকে ব্যবহার করে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরও উন্নত বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করবো।
আশিক চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিষয়টিকে আমি সুযোগ হিসেবেই দেখছি। কারণ যে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টটেটিভের একটা রিপোর্ট আছে বাংলাদেশের বিষয়ে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের যে অবস্থা সেটির বিষয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে। সেই রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে যুক্তরাষ্ট্র অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই রিপোর্টে আমাদের জন্য বেসিক কিছু সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। আমাদের রেগুলেটরি কিছু রিফর্ম, কাস্টম ডিউটির ক্ষেত্রে, দুর্নীতি— এরকম বেশ কয়েকটি বিষয়ে রিফর্মের কথা বলা হয়েছে। এই সংস্কারগুলো কিন্তু আমরাও করতে চাচ্ছিলাম। অন্তর্র্বর্তী সরকার চাচ্ছিল যে, বাংলাদেশের যে বিনিয়োগ ব্যবস্থা এখানে একটা বড় ধরনের সংস্কার হোক, যাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ব্যবসা করা সহজ হয়।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অতিরিক্ত চাপিয়ে দেওয়া শুল্ক আমাদের জন্য একটি লাভবান হওয়ার মতো অবস্থা। আমি মনে করি, এই সুযোগে আমরা আমাদের বিনিয়োগ ব্যবস্থার ওপর অনেকগুলো সংস্কার করে ফেলতে পারবো। সেটা আমাদের জন্য আসলে ভালোই হবে। এটার মধ্যে নেতিবাচক আমি একদমই কিছু দেখি না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাদের সর্বোপরি বিনিয়োগ পরিবেশের অগ্রগতি আনা সম্ভব।
আশিক চৌধুরী বলেন, ট্রাম্পের নতুন নীতির কারণে বাংলাদেশে শুধু এককভাবে প্রভাব পড়বে তা কিন্তু নয়। মূল্যস্ফীতি, সুদের হারের ভেতর দিয়ে শুধু বাংলাদেশ যাবে তা নয়, অন্যান্য সবার ক্ষেত্রেও হবে। এখানে বাংলাদেশকে আলাদা করে দেখার মতো কিছু নেই। পুরো পৃথিবী যদি একটা মূল্যস্ফীতিজনিত চাপের মধ্যে দিয়ে যায় নীতির কারণে, সেটা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে। সেজন্য আমার কাছে মনে হয়- অন্যান্য দেশের তুলনায় এককভাবে বাংলাদেশে অনেক বেশি প্রভাব পড়বে না।
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিতে ইচ্ছুক একটা বড় অংশ যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন, আমরা এবার তাদের স্থান দিতে পারিনি। সেজন্য আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। আমরা এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়েছি বিদেশি যারা দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন এখানে এবং অনবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) যারা। সেটা করতে গিয়ে বাংলাদেশি অনেককেই আমরা জায়গা দিতে পারিনি। মূল অনুষ্ঠানে আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং স্থানীয় বিনিয়োগকারীর কথা শুনবো। অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বক্তৃতা করবেন। স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে একটা বড় বিনিয়োগ আসে আমাদের এখানে। তারা সরকারের কাছে কী প্রত্যাশা করেন, সেটা আমরা শুনবো। প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পাঁচটি পুরস্কার দেওয়া হবে। একজন স্থানীয় বিনিয়োগকারী, একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী, পরিবেশগত, সামাজিক এবং শাসন (ইএসজি) ক্ষেত্রে আমরা একটি সংস্থাকে সম্মাননা দেবো, একটি পুরস্কার দেওয়া হবে উদ্ভাবনীর জন্য। এছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগের সঙ্গে দীর্ঘ অনেক বছর ধরে অনেক বিদেশি নাগরিক আছেন এরকম একজনকে আমরা সম্মানিত নাগরিকত্বের অফার করবো।
তিনি আরও বলেন, সম্মেলনে অনেকগুলো সমঝোতা স্মারক সই হবে। বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে। আইএলওর সঙ্গে শ্রম বিষয়ে একটা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই করার চিন্তা করছি। আমরা নাসার সঙ্গে একটি চুক্তি সই করার কথা চিন্তা করছি। বেসমারিক মহাকাশ অনুসন্ধান নিয়ে এই চুক্তি সই হতে পারে। চুক্তি সই হওয়ার পর আমরা এর বিস্তারিত জানাতে পারব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অপূর্ব জাহাঙ্গীর।

আজ থেকে শুরু বিনিয়োগ সম্মেলন, অংশ নিচ্ছেন অর্ধশতাধিক দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ সুযোগ দেখছে বাংলাদেশ

প্রকাশ : ০৬:১২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

আজ থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলন। আগামী ৯ এপ্রিল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা। বাংলাদেশসহ অর্ধশতাধিক দেশের শীর্ষ পর্যায়ের সাড়ে পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন এ সম্মেলনে। এছাড়া সম্মেলনে পাঁচজন বিনিয়োগকারীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা দেওয়া হবে। পাশাপাশি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) সঙ্গে একটি বেসমারিক চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিনিয়োগ সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশের ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছে, সেটি সামলে নেওয়া খুব বেশি কঠিন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই শুল্কনীতিতে বড় কোনো প্রভাব পড়বে না। দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যে কোনো বৈশ্বিক চাপে সরকার তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।
মার্কিন শুল্কারোপ আমাদের জন্য ভালো সংকেত উল্লেখ করে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো আমাদের সঙ্গে একই নৌকায় আছে। সুতরাং, তাদের যাত্রা যে পথে হবে, আমাদেরটাও সম্ভবত সেদিকেই হবে। আমি এটা নিয়ে একেবারেই চিন্তিত না যে, বিনিয়োগ সম্মেলনের ঠিক ৪ দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তিত নীতি আমাদের জন্য নেতিবাচক হয়ে গেলো কিনা। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এটা একটি ভালো সংকেত। আমরা এটাকে ব্যবহার করে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরও উন্নত বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করবো।
আশিক চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের বিষয়টিকে আমি সুযোগ হিসেবেই দেখছি। কারণ যে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টটেটিভের একটা রিপোর্ট আছে বাংলাদেশের বিষয়ে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের যে অবস্থা সেটির বিষয়ে রিপোর্ট করা হয়েছে। সেই রিপোর্টের ওপর নির্ভর করে যুক্তরাষ্ট্র অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই রিপোর্টে আমাদের জন্য বেসিক কিছু সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। আমাদের রেগুলেটরি কিছু রিফর্ম, কাস্টম ডিউটির ক্ষেত্রে, দুর্নীতি— এরকম বেশ কয়েকটি বিষয়ে রিফর্মের কথা বলা হয়েছে। এই সংস্কারগুলো কিন্তু আমরাও করতে চাচ্ছিলাম। অন্তর্র্বর্তী সরকার চাচ্ছিল যে, বাংলাদেশের যে বিনিয়োগ ব্যবস্থা এখানে একটা বড় ধরনের সংস্কার হোক, যাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ব্যবসা করা সহজ হয়।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অতিরিক্ত চাপিয়ে দেওয়া শুল্ক আমাদের জন্য একটি লাভবান হওয়ার মতো অবস্থা। আমি মনে করি, এই সুযোগে আমরা আমাদের বিনিয়োগ ব্যবস্থার ওপর অনেকগুলো সংস্কার করে ফেলতে পারবো। সেটা আমাদের জন্য আসলে ভালোই হবে। এটার মধ্যে নেতিবাচক আমি একদমই কিছু দেখি না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাদের সর্বোপরি বিনিয়োগ পরিবেশের অগ্রগতি আনা সম্ভব।
আশিক চৌধুরী বলেন, ট্রাম্পের নতুন নীতির কারণে বাংলাদেশে শুধু এককভাবে প্রভাব পড়বে তা কিন্তু নয়। মূল্যস্ফীতি, সুদের হারের ভেতর দিয়ে শুধু বাংলাদেশ যাবে তা নয়, অন্যান্য সবার ক্ষেত্রেও হবে। এখানে বাংলাদেশকে আলাদা করে দেখার মতো কিছু নেই। পুরো পৃথিবী যদি একটা মূল্যস্ফীতিজনিত চাপের মধ্যে দিয়ে যায় নীতির কারণে, সেটা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে। সেজন্য আমার কাছে মনে হয়- অন্যান্য দেশের তুলনায় এককভাবে বাংলাদেশে অনেক বেশি প্রভাব পড়বে না।
চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিতে ইচ্ছুক একটা বড় অংশ যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন, আমরা এবার তাদের স্থান দিতে পারিনি। সেজন্য আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। আমরা এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিয়েছি বিদেশি যারা দূর-দূরান্ত থেকে এসেছেন এখানে এবং অনবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) যারা। সেটা করতে গিয়ে বাংলাদেশি অনেককেই আমরা জায়গা দিতে পারিনি। মূল অনুষ্ঠানে আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং স্থানীয় বিনিয়োগকারীর কথা শুনবো। অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বক্তৃতা করবেন। স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে একটা বড় বিনিয়োগ আসে আমাদের এখানে। তারা সরকারের কাছে কী প্রত্যাশা করেন, সেটা আমরা শুনবো। প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পাঁচটি পুরস্কার দেওয়া হবে। একজন স্থানীয় বিনিয়োগকারী, একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী, পরিবেশগত, সামাজিক এবং শাসন (ইএসজি) ক্ষেত্রে আমরা একটি সংস্থাকে সম্মাননা দেবো, একটি পুরস্কার দেওয়া হবে উদ্ভাবনীর জন্য। এছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগের সঙ্গে দীর্ঘ অনেক বছর ধরে অনেক বিদেশি নাগরিক আছেন এরকম একজনকে আমরা সম্মানিত নাগরিকত্বের অফার করবো।
তিনি আরও বলেন, সম্মেলনে অনেকগুলো সমঝোতা স্মারক সই হবে। বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হবে। আইএলওর সঙ্গে শ্রম বিষয়ে একটা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই করার চিন্তা করছি। আমরা নাসার সঙ্গে একটি চুক্তি সই করার কথা চিন্তা করছি। বেসমারিক মহাকাশ অনুসন্ধান নিয়ে এই চুক্তি সই হতে পারে। চুক্তি সই হওয়ার পর আমরা এর বিস্তারিত জানাতে পারব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অপূর্ব জাহাঙ্গীর।