এখনো রাজধানীর বনানীতে ত্রাসের রাজত্ব অবশিষ্ট আছে শেখ হাসিনার সাবেক দেহরক্ষী (বডিগার্ড) মেজর (অব.) খন্দহকার এ হাফিজের।
https://www.facebook.com/share/r/15i1VZjNrn/
সম্প্রতি স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানকার একটি দোকান থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি নামাতে গেলে বাধা দেন তিনি। এ সময় তার হামলায় বনানী থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন।

এ বিষয়ে বনানী থানায় মামলা হয়। তবে তিনি কিছুদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে ফের হুমকি দিচ্ছেন নানারকম।
আলাপকালে বনানী বিএনপি নেতা কর্মীরা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীদের সঙ্গে থাকা হাফিজের কিছু ছবি দেখিয়ে দৈনিক দেশ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন , হাফিজের তো জেলে থাকার কথা নয়তো শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতে থাকার কথা। ৫ আগস্টের পরেও তিনি এখনো বনানীতে ঘুরছেন। হুমকি দিচ্ছেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছেন।

তাদের ভাষ্য, “বিষয়টি বনানী থানাকে মৌখিক বলেছি, এবার ডিসি কে লিখিত অভিযোগ দেবো।”
“রাজনৈতিক কার্যক্রমে বাধা দেন। দলীয় ব্যানার পোস্টা, তারেক রহমানের বার্তা সম্বলিত ব্যানার পোস্টার টানানোর সময় বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কর্মীসগ্রহ কাজ চালানোর সময় হাফিজ প্রায়ই বিরূপ মন্তব্য করেন, উত্তপ্ত কথাবার্তা বলেন। তারেক রহমান সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করেন।”
“এতে বিএনপির নেতা কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু দলের ভাবপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহিংশীলতা বজায় রাখার নির্দেশনার কারণেই শান্ত রয়েছি। “

এ বিষয়ে সরকারের এবং স্থানীয় প্রশাসনের অতিথি দ্রুত হস্তক্ষেপ চাই তার যেসব অবৈধ সম্পত্তি রয়েছে সে বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি, অভিযোগ করেন বনানী থানা যুব দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজুর রহমান।
এছাড়া শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তার প্রভাব ব্যাবভাব ব্যাববহার করে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বাড়িঘর ও স্থাপনা দখল করে রাতারাতি অবৈধ সম্পদের মালিক হন এই অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা।

গেলো বছর ১২ সেপ্টেম্বরে মফিযুর রহমান বঙ্গবন্ধুর ছবি সারাতে বললে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় বনানী থাায়ায় দায়ের করা মামলার এজাহার হুবহু ছবি আকারে তুলে ধরা হলো

প্রসঙ্গত, ছাত্র জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সঙ্গে করে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যান।
আওয়ামী লীগের পক্ষে হাফিজের মিডিয়া ব্রিফিংএরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
আওমীলীগ ও শেখ হাসিনার নতুন পুরানো অন্যান্য দেহরক্ষী এমনকি মালি পর্যন্ত পলাতক, এ অবস্থায় সাবেক দেহরক্ষী হাফিজের এই অধিদপ্তর আচরণ এবং প্রশাসনের নীরবতা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বনানীবাসী দ্রুত এর সমাধান চান।
https://www.facebook.com/share/p/17mRJN5hMb/

দেশ প্রতিবেদক 

















