ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটি ‘বড়’ পদের জন্য কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০২:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • ১০১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের জন্য এক কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরারকে (সি আর আবরার)। ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেছেন, ‘নিজের ঢোল পেটাচ্ছি না। আমি প্রত্যাশা করি, আমার যাঁরা সহকর্মী আছেন, তাঁরা যেন এই নৈতিক অবস্থানটা নেন।’

বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, ‘কোনো একটা কেসের ক্ষেত্রে আমার কাছে তদবির এসেছিল যে একজনকে একটা বড় পোস্টিং দেওয়ার জন্য। তাঁর জন্য প্রথিতযশা একজন পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল (বুদ্ধিজীবী) তিনিও আমাকে (তদবির) করেছিলেন। যেহেতু সেই নিয়োগ যুক্তিযুক্ত হবে না, মানে যিনি পদ চাচ্ছিলেন সেই পদে তাঁকে দেওয়া ঠিক হবে না। কারণ, তাঁর ট্র্যাক রেকর্ড ভালো নয়। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করি। তখন তিনি অন্য পথে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করেছিলেন যে তাঁরা এত টাকা…করবেন। অঙ্কটাও বলে দিই, এক কোটি টাকা তাঁরা বলেছিলেন। যাঁকে বলেছিলেন, তিনি আমারই পরিচিতজন, যিনি একটি প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন। তিনি বলেছিলেন যে ওই একটা ক্ষেত্রে আমি বলতেও পারব না, আর বলতে পারলেও প্রস্তাবে রাজি হবেন না।’

দুর্নীতির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বনের কথা উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তাঁদের নেই।

জনপ্রিয়

একটি ‘বড়’ পদের জন্য কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব

প্রকাশ : ০২:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নের জন্য এক কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরারকে (সি আর আবরার)। ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন জানিয়ে উপদেষ্টা বলেছেন, ‘নিজের ঢোল পেটাচ্ছি না। আমি প্রত্যাশা করি, আমার যাঁরা সহকর্মী আছেন, তাঁরা যেন এই নৈতিক অবস্থানটা নেন।’

বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

অধ্যাপক সি আর আবরার বলেন, ‘কোনো একটা কেসের ক্ষেত্রে আমার কাছে তদবির এসেছিল যে একজনকে একটা বড় পোস্টিং দেওয়ার জন্য। তাঁর জন্য প্রথিতযশা একজন পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল (বুদ্ধিজীবী) তিনিও আমাকে (তদবির) করেছিলেন। যেহেতু সেই নিয়োগ যুক্তিযুক্ত হবে না, মানে যিনি পদ চাচ্ছিলেন সেই পদে তাঁকে দেওয়া ঠিক হবে না। কারণ, তাঁর ট্র্যাক রেকর্ড ভালো নয়। আমরা সেটা প্রত্যাখ্যান করি। তখন তিনি অন্য পথে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করেছিলেন যে তাঁরা এত টাকা…করবেন। অঙ্কটাও বলে দিই, এক কোটি টাকা তাঁরা বলেছিলেন। যাঁকে বলেছিলেন, তিনি আমারই পরিচিতজন, যিনি একটি প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন। তিনি বলেছিলেন যে ওই একটা ক্ষেত্রে আমি বলতেও পারব না, আর বলতে পারলেও প্রস্তাবে রাজি হবেন না।’

দুর্নীতির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বনের কথা উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তাঁদের নেই।