ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

ইলেকটোরাল পদ্ধতিতে একমত বেশির ভাগ দল

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০৩:৩৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • ৯০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ব্যবস্থায় মত দিয়েছে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল। তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে দু-একটি দলের প্রস্তাবকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় ধাপের সংলাপে দলগুলো তাদের মতামত তুলে ধরে। আপাতত তিন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে যার সব কটিই ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত। আলোচনায় অংশ নেয় বিএনপি, জামায়াত, এএসপিসহ ৩০টি দল।
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হলে এবং নারী আসন ১০০ হলে উচ্চকক্ষ এবং নিম্নকক্ষ মিলিয়ে ৫০০ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অনেকে আবার জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন মিলিয়ে আরও অতিরিক্ত ৭৬ ভোট অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
জামায়াতের এই নায়েবে আমির বলেন, প্রক্রিয়া যাই হোক, আমরা এক্সটেন্ডেড ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতিকে সমর্থন করি। পাশাপাশি গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সুপারিশ করেছি। জামায়াতের সব অভ্যন্তরীণ নির্বাচন গোপন ব্যালটে হয়; দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও সেভাবেই হওয়া উচিত।
আওয়ামী লীগের দোসর ছিল এমন রাজনৈতিক দলও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের মারফতে তদবির করে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় অংশ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি নিয়ে আজকে আমরা প্রশ্ন তুলেছি এবং পরবর্তী মিটিংয়ে এ বিষয়ে একটা সমাধান চাইব।…তারা যদি এখানে আসে এটা জুলাইয়ের প্রতি অবমাননা। শহীদদের সঙ্গে বেইমানি।’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে দু-একটি দলের প্রস্তাবকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন নুর। তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান দু-একটি দলের নেতৃত্বে হয়নি, সুতরাং কোনোভাবেই দু-একটি দল কিংবা কোনো বিশেষ ব্যক্তি মহলের প্রস্তাবকে প্রাধান্য দেওয়া যাবে না।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতির বিষয়ে নুরুল হক নুর বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ এবং নিম্নকক্ষের ৫০০ সদস্য এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিটি করপোরেশনের মেয়ররাসহ মোট ৫৭৬ জনের গোপন ব্যালটের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতির বিষয়ে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলই একমত হয়েছে। তবে এ বিষয় নিয়ে এখনো আলোচনা চলমান। আরেকটি প্রস্তাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদকেও অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এতে ৫৭৬ ভোটের বাইরে আরও ৭০ হাজার অতিরিক্ত ভোট যুক্ত হবে।
সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনপদ্ধতির প্রস্তাবের সঙ্গে একমত বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘আমরা যে কথাটা গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করতে চাই, সেটি হলো গোপন ব্যালটের ভিত্তিতে এ নির্বাচনটা হতে হবে। এ প্রস্তাব আরও অনেকে দিয়েছেন, আমরা এ প্রস্তাবের সঙ্গে একমত।’
দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের বিরতিতে সাংবাদিকদের জোনায়েদ সাকি বলেন, আজকের আলোচনায় সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তাবে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল একমত। গোপন ব্যালটে নির্বাচনের প্রশ্নটিতে প্রায় সবাই একমত। কেউ কেউ বলেছেন, দলের (নিজস্ব রাজনৈতিক দল) সঙ্গে একটু আলোচনা করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তনে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল মত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। তিনি বলেন, ‘এখন এই পরিবর্তনের অগ্রগতি কীভাবে হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। গত দুই দিনের আলোচনায় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাতেই সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাঁদের দলের বিপক্ষেও ভোট দিতে পারবেন। ফলে এ বিষয়ে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল মত দিয়েছেন।’
আন্তরিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব বলে মনে করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ।
আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে ড. রীয়াজ বলেন, আমরা অনেক বিষয়ে একমত হতে পেরেছি, তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এখনো মতৈক্যে পৌঁছানো যায়নি। এ কারণেই আগামী সপ্তাহে এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবে আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার পরিবেশে ঐকমত্য সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। স্বল্প সময়ের মধ্যেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে বাস্তবধর্মী সহযোগিতা চাইছি।’
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী অর্থাৎ তৃতীয় দিনের বৈঠকে পূর্ববর্তী আলোচনার অসমাপ্ত বিষয়গুলো ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ, সংবিধান ও রাষ্ট্রের মৌলিক নীতিমালা এবং নির্বাচনি এলাকার সীমারেখা নির্ধারণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দেশে রাজনৈতিক সমঝোতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক করে আসছে।

জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

ইলেকটোরাল পদ্ধতিতে একমত বেশির ভাগ দল

প্রকাশ : ০৩:৩৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ব্যবস্থায় মত দিয়েছে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল। তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে দু-একটি দলের প্রস্তাবকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় ধাপের সংলাপে দলগুলো তাদের মতামত তুলে ধরে। আপাতত তিন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে যার সব কটিই ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত। আলোচনায় অংশ নেয় বিএনপি, জামায়াত, এএসপিসহ ৩০টি দল।
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হলে এবং নারী আসন ১০০ হলে উচ্চকক্ষ এবং নিম্নকক্ষ মিলিয়ে ৫০০ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অনেকে আবার জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন মিলিয়ে আরও অতিরিক্ত ৭৬ ভোট অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
জামায়াতের এই নায়েবে আমির বলেন, প্রক্রিয়া যাই হোক, আমরা এক্সটেন্ডেড ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতিকে সমর্থন করি। পাশাপাশি গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সুপারিশ করেছি। জামায়াতের সব অভ্যন্তরীণ নির্বাচন গোপন ব্যালটে হয়; দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও সেভাবেই হওয়া উচিত।
আওয়ামী লীগের দোসর ছিল এমন রাজনৈতিক দলও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের মারফতে তদবির করে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় অংশ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টি নিয়ে আজকে আমরা প্রশ্ন তুলেছি এবং পরবর্তী মিটিংয়ে এ বিষয়ে একটা সমাধান চাইব।…তারা যদি এখানে আসে এটা জুলাইয়ের প্রতি অবমাননা। শহীদদের সঙ্গে বেইমানি।’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে দু-একটি দলের প্রস্তাবকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন নুর। তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থান দু-একটি দলের নেতৃত্বে হয়নি, সুতরাং কোনোভাবেই দু-একটি দল কিংবা কোনো বিশেষ ব্যক্তি মহলের প্রস্তাবকে প্রাধান্য দেওয়া যাবে না।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতির বিষয়ে নুরুল হক নুর বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ এবং নিম্নকক্ষের ৫০০ সদস্য এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিটি করপোরেশনের মেয়ররাসহ মোট ৫৭৬ জনের গোপন ব্যালটের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতির বিষয়ে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দলই একমত হয়েছে। তবে এ বিষয় নিয়ে এখনো আলোচনা চলমান। আরেকটি প্রস্তাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইউনিয়ন পরিষদকেও অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এতে ৫৭৬ ভোটের বাইরে আরও ৭০ হাজার অতিরিক্ত ভোট যুক্ত হবে।
সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনপদ্ধতির প্রস্তাবের সঙ্গে একমত বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘আমরা যে কথাটা গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করতে চাই, সেটি হলো গোপন ব্যালটের ভিত্তিতে এ নির্বাচনটা হতে হবে। এ প্রস্তাব আরও অনেকে দিয়েছেন, আমরা এ প্রস্তাবের সঙ্গে একমত।’
দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের বিরতিতে সাংবাদিকদের জোনায়েদ সাকি বলেন, আজকের আলোচনায় সংসদ সদস্যদের গোপন ব্যালটের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তাবে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল একমত। গোপন ব্যালটে নির্বাচনের প্রশ্নটিতে প্রায় সবাই একমত। কেউ কেউ বলেছেন, দলের (নিজস্ব রাজনৈতিক দল) সঙ্গে একটু আলোচনা করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিদ্যমান পদ্ধতি পরিবর্তনে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল মত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। তিনি বলেন, ‘এখন এই পরিবর্তনের অগ্রগতি কীভাবে হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। গত দুই দিনের আলোচনায় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাতেই সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাঁদের দলের বিপক্ষেও ভোট দিতে পারবেন। ফলে এ বিষয়ে বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল মত দিয়েছেন।’
আন্তরিকতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব বলে মনে করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ।
আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে ড. রীয়াজ বলেন, আমরা অনেক বিষয়ে একমত হতে পেরেছি, তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এখনো মতৈক্যে পৌঁছানো যায়নি। এ কারণেই আগামী সপ্তাহে এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবে আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার পরিবেশে ঐকমত্য সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। স্বল্প সময়ের মধ্যেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে বাস্তবধর্মী সহযোগিতা চাইছি।’
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী অর্থাৎ তৃতীয় দিনের বৈঠকে পূর্ববর্তী আলোচনার অসমাপ্ত বিষয়গুলো ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ, সংবিধান ও রাষ্ট্রের মৌলিক নীতিমালা এবং নির্বাচনি এলাকার সীমারেখা নির্ধারণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দেশে রাজনৈতিক সমঝোতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ধারাবাহিক বৈঠক করে আসছে।