ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ

অগ্রাধিকারভিত্তিক তিন পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০২:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৮৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

দেশের স্বাস্থ্য খাত সংস্কারে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যনীতি বিশেষজ্ঞরা। তারা এ সুপারিশগুলোকে আগামী ‘জুলাই চার্টার-২০২৫’ এ অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
চিঠিতে প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে বলা হয়, জাতির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে আপনি নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন-যা শুধু প্রশাসনিক নয়, এক গভীর নৈতিক দায়ও বহন করে। আমরা আপনার এ দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আপনার দূরদর্শী নেতৃত্ব বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায় রচনা করবে, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার মান হবে আরও স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক।
স্বাস্থ্য খাত কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সেবার সীমায় আবদ্ধ নয়। এটি জাতীয় উন্নয়নের মূল স্তম্ভ, যা মানবসম্পদের বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সম-অধিকারের মূল ভিত্তি গঠন করে। একটি কার্যকর, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা ছাড়া জাতির উন্নয়ন কল্পনাও করা যায় না।
আমরা অকপটে স্বীকার করি যে, বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য যে, একগুচ্ছ গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা, শাসনব্যবস্থায় বিচ্যুতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতার অভাব আমাদের এই অগ্রযাত্রাকে বারবার থমকে দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো এসেছে এক গুরুতর বাস্তবতা থেকে, যা কেবল সেবার সম্প্রসারণ বা গুণগত মান বৃদ্ধির পরামর্শ নয়, বরং এটি একটি সুসংহত রূপরেখা। যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের গভীর সমস্যাগুলোর সমাধান, প্রতিষ্ঠানসমূহের পুনর্গঠন ও প্রশাসনিক জবাবদিহির একটি টেকসই কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।
অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে- যদি যথাসময়ে সাহসী ও বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে এমন গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো কাগজেই বন্দি থেকে যায়। তাই এখনই প্রয়োজন একটি বাস্তবভিত্তিক, সময়সীমা নির্ধারিত ও জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন। আমরা বিশ্বাস করি, এই সংস্কারগুলোকে ‘জুলাই চার্টার ২০২৫’-এ অন্তর্ভুক্ত করা হবে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত-যা অতীতের সম্মান ও ভবিষ্যতের অঙ্গীকারকে একসূত্রে বেঁধে রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা, আপনার নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা আমরা জানি। কিন্তু সীমাবদ্ধতার মাঝেও দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর প্রশাসনিক নির্দেশনা ও নৈতিক সাহস নিয়ে অনেক কিছুই করা সম্ভব। জাতির সামনে একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছে- আমরা চাই আপনি সেটিকে বাস্তবায়নে পরিণত করুন। আমরা বিনীতভাবে নিম্নলিখিত তিনটি অগ্রাধিকারভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
এ জন্য একটি স্বাধীন, গণজবাবদিহিমূলক ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্বাস্থ্য কমিশন গঠন- যা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত রূপকল্প ও বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেবে। এই প্রতিষ্ঠান হবে ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য খাত রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি।
শহর ও গ্রামে বাধ্যতামূলক রেফারেল ব্যবস্থাসহ কার্যকর, মানসম্পন্ন ও বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু করতে হবে- যা হবে নাগরিক অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তি।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি সময়বদ্ধ ও দায়িত্বনির্ভর কমিটি গঠন করতে হবে- যা এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করবে এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সরাসরি এর তত্ত্বাবধান করবে।
আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, যদি এই পদক্ষেপগুলো আগস্ট ২০২৫-এর মধ্যভাগে শুরু করা যায়, তবে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরকারি আদেশ/অধ্যাদেশ জারি সম্ভব এবং ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকেই জনগণের সামনে কাঠামোগত এই রূপান্তরের দৃশ্যমান অগ্রগতি উপস্থাপন করা যাবে।
প্রধান উপদেষ্টা, এটি কেবল প্রশাসনিক কর্তব্য নয়- এটি জাতির প্রতি একটি নৈতিক অঙ্গীকার। এই আগস্ট মাসে, যখন জাতি গণজাগরণ ও আত্মত্যাগের স্মৃতিতে দাঁড়িয়ে, তখন যদি আপনি এই রূপান্তরের সূচনা করেন এবং জুলাই চার্টার ২০২৫-এর অংশ হিসেবে তা ঘোষণা করেন, তবে তা হবে শহীদদের প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি এক সাহসী প্রতিশ্রুতি।
আপনার দূরদর্শী ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন নেতৃত্বে আমরা আশাবাদী যে, আপনি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে যুগোপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতকে একটি টেকসই ও মানবিক রূপান্তরের পথে নিয়ে যাবেন। আপনার সদয় বিবেচনা ও জরুরি পদক্ষেপ কামনা করি।
খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরদাতাদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, সদস্য, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়; ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, প্রফেসর, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয়কারী, অ্যালায়েন্স ফর হেলথ রিফর্মস বাংলাদেশ, প্রবর্তক, নেটওয়ার্ক ফর হেলথ কেয়ার এক্সিলেন্স; অধ্যাপক ডা. আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সদস্য, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্ট; প্রফেসর ডা. লিয়াকত আলী, পথিকৃত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্য; প্রফেসর ডা. নায়লা জামান খান, সদস্য স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, পরিচালক, ক্লিনিক্যাল নিউরোসায়েন্সেস সেন্টার বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন এবং ডা. আজহারুল ইসলাম খান, সদস্য, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, সাবেক প্রধান চিকিৎসক ও হাসপাতালের প্রধান, আইসিডিডিআরবি।

 

জনপ্রিয়

স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশ

অগ্রাধিকারভিত্তিক তিন পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ

প্রকাশ : ০২:২৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

দেশের স্বাস্থ্য খাত সংস্কারে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যনীতি বিশেষজ্ঞরা। তারা এ সুপারিশগুলোকে আগামী ‘জুলাই চার্টার-২০২৫’ এ অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
চিঠিতে প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ করে বলা হয়, জাতির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে আপনি নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন-যা শুধু প্রশাসনিক নয়, এক গভীর নৈতিক দায়ও বহন করে। আমরা আপনার এ দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ এবং দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আপনার দূরদর্শী নেতৃত্ব বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায় রচনা করবে, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার মান হবে আরও স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক।
স্বাস্থ্য খাত কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সেবার সীমায় আবদ্ধ নয়। এটি জাতীয় উন্নয়নের মূল স্তম্ভ, যা মানবসম্পদের বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সম-অধিকারের মূল ভিত্তি গঠন করে। একটি কার্যকর, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা ছাড়া জাতির উন্নয়ন কল্পনাও করা যায় না।
আমরা অকপটে স্বীকার করি যে, বিগত কয়েক দশকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য যে, একগুচ্ছ গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা, শাসনব্যবস্থায় বিচ্যুতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতার অভাব আমাদের এই অগ্রযাত্রাকে বারবার থমকে দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো এসেছে এক গুরুতর বাস্তবতা থেকে, যা কেবল সেবার সম্প্রসারণ বা গুণগত মান বৃদ্ধির পরামর্শ নয়, বরং এটি একটি সুসংহত রূপরেখা। যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের গভীর সমস্যাগুলোর সমাধান, প্রতিষ্ঠানসমূহের পুনর্গঠন ও প্রশাসনিক জবাবদিহির একটি টেকসই কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।
অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে- যদি যথাসময়ে সাহসী ও বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে এমন গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো কাগজেই বন্দি থেকে যায়। তাই এখনই প্রয়োজন একটি বাস্তবভিত্তিক, সময়সীমা নির্ধারিত ও জাতীয়ভাবে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রোডম্যাপ প্রণয়ন। আমরা বিশ্বাস করি, এই সংস্কারগুলোকে ‘জুলাই চার্টার ২০২৫’-এ অন্তর্ভুক্ত করা হবে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত-যা অতীতের সম্মান ও ভবিষ্যতের অঙ্গীকারকে একসূত্রে বেঁধে রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা, আপনার নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বর্তী সরকারের সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা আমরা জানি। কিন্তু সীমাবদ্ধতার মাঝেও দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর প্রশাসনিক নির্দেশনা ও নৈতিক সাহস নিয়ে অনেক কিছুই করা সম্ভব। জাতির সামনে একটি সুবর্ণ সুযোগ এসেছে- আমরা চাই আপনি সেটিকে বাস্তবায়নে পরিণত করুন। আমরা বিনীতভাবে নিম্নলিখিত তিনটি অগ্রাধিকারভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
এ জন্য একটি স্বাধীন, গণজবাবদিহিমূলক ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্বাস্থ্য কমিশন গঠন- যা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত রূপকল্প ও বাস্তবায়নের নেতৃত্ব দেবে। এই প্রতিষ্ঠান হবে ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য খাত রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি।
শহর ও গ্রামে বাধ্যতামূলক রেফারেল ব্যবস্থাসহ কার্যকর, মানসম্পন্ন ও বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু করতে হবে- যা হবে নাগরিক অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তি।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি সময়বদ্ধ ও দায়িত্বনির্ভর কমিটি গঠন করতে হবে- যা এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের গতি ত্বরান্বিত করবে এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সরাসরি এর তত্ত্বাবধান করবে।
আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, যদি এই পদক্ষেপগুলো আগস্ট ২০২৫-এর মধ্যভাগে শুরু করা যায়, তবে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় সরকারি আদেশ/অধ্যাদেশ জারি সম্ভব এবং ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকেই জনগণের সামনে কাঠামোগত এই রূপান্তরের দৃশ্যমান অগ্রগতি উপস্থাপন করা যাবে।
প্রধান উপদেষ্টা, এটি কেবল প্রশাসনিক কর্তব্য নয়- এটি জাতির প্রতি একটি নৈতিক অঙ্গীকার। এই আগস্ট মাসে, যখন জাতি গণজাগরণ ও আত্মত্যাগের স্মৃতিতে দাঁড়িয়ে, তখন যদি আপনি এই রূপান্তরের সূচনা করেন এবং জুলাই চার্টার ২০২৫-এর অংশ হিসেবে তা ঘোষণা করেন, তবে তা হবে শহীদদের প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি এক সাহসী প্রতিশ্রুতি।
আপনার দূরদর্শী ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন নেতৃত্বে আমরা আশাবাদী যে, আপনি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে যুগোপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপ নেবেন এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতকে একটি টেকসই ও মানবিক রূপান্তরের পথে নিয়ে যাবেন। আপনার সদয় বিবেচনা ও জরুরি পদক্ষেপ কামনা করি।
খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরদাতাদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, সদস্য, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়; ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, প্রফেসর, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয়কারী, অ্যালায়েন্স ফর হেলথ রিফর্মস বাংলাদেশ, প্রবর্তক, নেটওয়ার্ক ফর হেলথ কেয়ার এক্সিলেন্স; অধ্যাপক ডা. আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সদস্য, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্ট; প্রফেসর ডা. লিয়াকত আলী, পথিকৃত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্য; প্রফেসর ডা. নায়লা জামান খান, সদস্য স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, পরিচালক, ক্লিনিক্যাল নিউরোসায়েন্সেস সেন্টার বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন এবং ডা. আজহারুল ইসলাম খান, সদস্য, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন, সাবেক প্রধান চিকিৎসক ও হাসপাতালের প্রধান, আইসিডিডিআরবি।