ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ওয়াসার সাবেক এমডি ও আজিজ খানের ব্যবসায়িক পার্টনার

হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া দায়েম এবার দুদকের জালে

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৩৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেডেরব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়েম খন্দকারের বিরুদ্ধে তথ্যানুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তিনি ওয়াসার সাবেক এমডি তাসকিম আহম্মেদ খান ও সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন। এছাড়া তিনি আওয়ামীলীগে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সক্ষতা তৈরি করে সরকারের বেশ কিছু বড় প্রকল্প বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ঢাকা ওয়াসার গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রজেক্ট হাতিয়ে নেওয়াসহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের বেশ কিছু প্রকল্প বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
সম্প্রতি দুদকের সহকারী পরিচালক (বিশেষ অনুঃ ও তদন্ত-১) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম দায়েম খন্দকারের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের বিষয়ে দুদকে হাজির হতে নোটিশ জারি করেন। কিন্তু দুদকের নোটিশের তিনি জবাব দেননি বলে জানা গেছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বদলি হয়ে ঢাকার বাইরে চলে যাওয়ায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুদকের দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, দায়েম খন্দকারের অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। এ জন্য ২৫/০৯/২০২৫ তারিখ সকাল ১০টায় দুদকের ঢাকা অফিসে হাজির হওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো। তিনি আসেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেড সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হাতিয়ে নিয়ে কাজ করায় অনেক অনিয়ম হয়েছে বলে জানা গেছে। এখন দুদক অনসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে, পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে তথ্য চেয়ে চিঠি দেবে দুদক।
এ বিষয়ে দায়েম খন্দকারের সঙ্গে ফোনে এবং হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র জানায়, ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেড সরকারের যেসবমেগা প্রকল্প হাতিয়ে নিয়েছে সেগুলো হলো- ১) ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডি এস আই পি) ৫১৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা মহানগরীর নির্ধারিত এলাকায় নিরাপদ পয়ঃসেবা বৃদ্ধি করে ঢাকা ওয়াসার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যাপস্থাপনা সম্প্রসারণ- এই প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য। বিদ্যমান পাগলা পয়ঃশোধনাগারটি উন্নতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন লোক এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হবে।
২) ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডি ডব্লিউ এস এন আই পি) ৩৯৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা শহরবাসীকে সার্বক্ষণিক নির্ভরযোগ্য পানির সরবরাহ এবং ঢাকা ওয়াসার সেবার মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসার ৭ (সাত) টি জোন [জোন-৩, ৪, ৯, ১০ (আংশিক) এবং জোন-১, ৭, ও ২]এলাকার সব পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক ও গ্রাহক সাধারণের পানির সংযোগ পুনর্বাসন, শক্তিশালী করে ডিস্ট্রিক্ট মিটাররিং এরিয়া (ডিএমএ) প্রতিষ্ঠা করে স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠী, বস্তিবাসীসহ নগরবাসীকে সুপেয় পানি সরবরাহ করা এবংনন রেভিনিউ ওয়াটার (এনআরডব্লিউ) এর পরিমাণ নিম্নতর পর্যায়ে কমিয়ে আনা। অগ্রগতি ৯৫শতাংশ।৩) সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ফেস-৩) ১৬ হাজার ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলাধীন হাড়িয়ায় একটি পাম্পিং স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে মেঘনা নদী থেকে দৈনিক প্রায় ৯৫ কোটি লিটার অপরিশোধিত পানি নির্মিতব্য শোধনাগারে সরবরাহ ও তা পরিশোধনপূর্বক বিদ্যমান সরবরাহের অতিরিক্ত আরো দৈনিক ৪৫ কোটিলিটার পানি ঢাকা মহানগরবাসীকে সরবরাহ করা। অগ্রগতি ১৫ শতাংশ।
৪) ঢাকা ইনভারমেন্টালি সাসটেনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট (ডি ই এস ডব্লিউ এস পি) গন্ধবপুর ১০ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকাভূ-উপরিন্থ ৫০০ এমএলডি পানি পরিশোধন ও সরবরাহ করা, যার মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন ও নিশ্চিত হয়। অগ্রগতি ৯১ শতাংশ।
৫) দাসেরকান্দি সুয়ার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি ৩৭১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা ওয়াসার একটি আধুনিক পয়ঃ শোধনাগার প্রকল্প, যা ৫০ কোটি লিটার পয়ঃবর্জ্য পরিশোধনের মাধ্যমে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, যা চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাইড্রো চায়না কর্পোরেশন নির্মাণ করেছে এবং চীন এঙ্মি ব্যাংক-এর অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুলাই মাসে কার্যক্রম শুরু করেছে। ৬) ওয়েল ফিল্ড ইন ভাকুরটা -তেতুলহারা (সাভার) এরিয়া ইত্যাদি।
এছাড়াযে সবকোম্পানিকে সে কাজ পাইয়ে দিয়েছে সেগুলো হলো- ১) সুইজ অটোভি ভিওলা নামক ফ্রান্সের একটি কোম্পানি২) চাইনিজ কোম্পানি সিনো হাইড্রো ৩) চাইনিজ কোম্পানি সি এম এ সি ৪) চাইনিজ কোম্পানি পাওয়ার চাই না৫) চাইনিজ কোম্পানি ইউনাইটেড ওয়াটার গ্রুপ।

জনপ্রিয়

ওয়াসার সাবেক এমডি ও আজিজ খানের ব্যবসায়িক পার্টনার

হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া দায়েম এবার দুদকের জালে

প্রকাশ : ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেডেরব্যবস্থাপনা পরিচালক দায়েম খন্দকারের বিরুদ্ধে তথ্যানুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তিনি ওয়াসার সাবেক এমডি তাসকিম আহম্মেদ খান ও সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের ব্যবসায়িক পার্টনার ছিলেন। এছাড়া তিনি আওয়ামীলীগে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সক্ষতা তৈরি করে সরকারের বেশ কিছু বড় প্রকল্প বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ঢাকা ওয়াসার গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রজেক্ট হাতিয়ে নেওয়াসহ সড়ক ও জনপদ বিভাগের বেশ কিছু প্রকল্প বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
সম্প্রতি দুদকের সহকারী পরিচালক (বিশেষ অনুঃ ও তদন্ত-১) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম দায়েম খন্দকারের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের বিষয়ে দুদকে হাজির হতে নোটিশ জারি করেন। কিন্তু দুদকের নোটিশের তিনি জবাব দেননি বলে জানা গেছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বদলি হয়ে ঢাকার বাইরে চলে যাওয়ায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুদকের দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, দায়েম খন্দকারের অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। এ জন্য ২৫/০৯/২০২৫ তারিখ সকাল ১০টায় দুদকের ঢাকা অফিসে হাজির হওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো। তিনি আসেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেড সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হাতিয়ে নিয়ে কাজ করায় অনেক অনিয়ম হয়েছে বলে জানা গেছে। এখন দুদক অনসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে, পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে তথ্য চেয়ে চিঠি দেবে দুদক।
এ বিষয়ে দায়েম খন্দকারের সঙ্গে ফোনে এবং হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র জানায়, ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেড সরকারের যেসবমেগা প্রকল্প হাতিয়ে নিয়েছে সেগুলো হলো- ১) ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডি এস আই পি) ৫১৮৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা মহানগরীর নির্ধারিত এলাকায় নিরাপদ পয়ঃসেবা বৃদ্ধি করে ঢাকা ওয়াসার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যাপস্থাপনা সম্প্রসারণ- এই প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য। বিদ্যমান পাগলা পয়ঃশোধনাগারটি উন্নতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন লোক এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হবে।
২) ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (ডি ডব্লিউ এস এন আই পি) ৩৯৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা শহরবাসীকে সার্বক্ষণিক নির্ভরযোগ্য পানির সরবরাহ এবং ঢাকা ওয়াসার সেবার মান ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসার ৭ (সাত) টি জোন [জোন-৩, ৪, ৯, ১০ (আংশিক) এবং জোন-১, ৭, ও ২]এলাকার সব পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক ও গ্রাহক সাধারণের পানির সংযোগ পুনর্বাসন, শক্তিশালী করে ডিস্ট্রিক্ট মিটাররিং এরিয়া (ডিএমএ) প্রতিষ্ঠা করে স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠী, বস্তিবাসীসহ নগরবাসীকে সুপেয় পানি সরবরাহ করা এবংনন রেভিনিউ ওয়াটার (এনআরডব্লিউ) এর পরিমাণ নিম্নতর পর্যায়ে কমিয়ে আনা। অগ্রগতি ৯৫শতাংশ।৩) সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ফেস-৩) ১৬ হাজার ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলাধীন হাড়িয়ায় একটি পাম্পিং স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে মেঘনা নদী থেকে দৈনিক প্রায় ৯৫ কোটি লিটার অপরিশোধিত পানি নির্মিতব্য শোধনাগারে সরবরাহ ও তা পরিশোধনপূর্বক বিদ্যমান সরবরাহের অতিরিক্ত আরো দৈনিক ৪৫ কোটিলিটার পানি ঢাকা মহানগরবাসীকে সরবরাহ করা। অগ্রগতি ১৫ শতাংশ।
৪) ঢাকা ইনভারমেন্টালি সাসটেনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্ট (ডি ই এস ডব্লিউ এস পি) গন্ধবপুর ১০ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকাভূ-উপরিন্থ ৫০০ এমএলডি পানি পরিশোধন ও সরবরাহ করা, যার মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন ও নিশ্চিত হয়। অগ্রগতি ৯১ শতাংশ।
৫) দাসেরকান্দি সুয়ার ট্রিটমেন্ট প্লান্টটি ৩৭১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা ওয়াসার একটি আধুনিক পয়ঃ শোধনাগার প্রকল্প, যা ৫০ কোটি লিটার পয়ঃবর্জ্য পরিশোধনের মাধ্যমে ঢাকার নদীগুলোর দূষণ রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, যা চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাইড্রো চায়না কর্পোরেশন নির্মাণ করেছে এবং চীন এঙ্মি ব্যাংক-এর অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে। প্রকল্পটি ২০২৩ সালের জুলাই মাসে কার্যক্রম শুরু করেছে। ৬) ওয়েল ফিল্ড ইন ভাকুরটা -তেতুলহারা (সাভার) এরিয়া ইত্যাদি।
এছাড়াযে সবকোম্পানিকে সে কাজ পাইয়ে দিয়েছে সেগুলো হলো- ১) সুইজ অটোভি ভিওলা নামক ফ্রান্সের একটি কোম্পানি২) চাইনিজ কোম্পানি সিনো হাইড্রো ৩) চাইনিজ কোম্পানি সি এম এ সি ৪) চাইনিজ কোম্পানি পাওয়ার চাই না৫) চাইনিজ কোম্পানি ইউনাইটেড ওয়াটার গ্রুপ।