ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারকে না জানিয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা : বাণিজ্য উপদেষ্টা

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ১২:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সরকারকে না জানিয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা যেভাবে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছেন, তার আইনগত ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, আধা ঘণ্টা আগে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৯ টাকা বাড়ানোয় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, মঙ্গলবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য দেড় কোটি লিটার ভোজ্যতেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ও এক কোটি লিটার রাইস ব্রান তেল কেনা হবে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার মঙ্গলবারব্যবসায়ীদের কাছ থেকে যে দামে ভোজ্যতেল কিনেছে, আজ বাজারে তার চেয়ে ২০ টাকা বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। তিনি এর যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না।

বিষয়টি হলো, পূর্বঘোষণা ছাড়াই নীরবে ভোক্তা পর্যায়ে সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়েছে আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এবার প্রতি লিটারে ৯ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা এত ক্ষমতাধর হয়ে গেল কীভাবে যে সরকারকে পাশ কাটিয়ে তারা তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন, এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘এ প্রশ্ন ব্যবসায়ীদের করুন। আমরা আলোচনা করেছি, পদক্ষেপ নিচ্ছি। এটা তো বাজারে গিয়ে তলোয়ার নিয়ে যুদ্ধ করার বিষয় নয়।’

শেখ বশিরউদ্দীন আরও বলেন, ‘তেলের দাম বাড়ানোর যৌক্তিক কারণ থাকলে আলোচনা করা যাবে। সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা গতিশীল রাখতে চায়। সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত করতে চাই না আমরা।’

ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দাম বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় কিংবা ট্যারিফ কমিশনের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা তাঁদের বক্তব্য। তাঁদের এ কথা আমরা মানি না।’

রোজার প্রস্তুতির বিষয় জানতে চাইলে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘ভালো প্রস্তুতি আছে। আমরা দেখেছি, আমদানির পর্যায়ে যে পরিমাণ ঋণপত্র খোলা প্রয়োজন, গতবার যে পরিমাণ খোলা হয়েছে, এবার তার চেয়েও বেশি খোলা হচ্ছে। তাই সরবরাহ বিঘ্নিত হবে না।’

ইতিমধ্যে বাজারে কিছু জিনিসের দাম কমেছে বলে জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, চিনির দাম কমছে। ছোলার দামও কমবে। এ ছাড়া ডাল ও ডিমের দাম কমেছে। আরও কিছু জিনিসের দামও কমেছে। সরকার যেকোনো বিষয়ের যৌক্তিক সমাধান চায়।

সরকারকে না জানিয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা : বাণিজ্য উপদেষ্টা

প্রকাশ : ১২:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকারকে না জানিয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা যেভাবে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছেন, তার আইনগত ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, আধা ঘণ্টা আগে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৯ টাকা বাড়ানোয় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, মঙ্গলবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য দেড় কোটি লিটার ভোজ্যতেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ও এক কোটি লিটার রাইস ব্রান তেল কেনা হবে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার মঙ্গলবারব্যবসায়ীদের কাছ থেকে যে দামে ভোজ্যতেল কিনেছে, আজ বাজারে তার চেয়ে ২০ টাকা বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। তিনি এর যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না।

বিষয়টি হলো, পূর্বঘোষণা ছাড়াই নীরবে ভোক্তা পর্যায়ে সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়েছে আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এবার প্রতি লিটারে ৯ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা এত ক্ষমতাধর হয়ে গেল কীভাবে যে সরকারকে পাশ কাটিয়ে তারা তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন, এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘এ প্রশ্ন ব্যবসায়ীদের করুন। আমরা আলোচনা করেছি, পদক্ষেপ নিচ্ছি। এটা তো বাজারে গিয়ে তলোয়ার নিয়ে যুদ্ধ করার বিষয় নয়।’

শেখ বশিরউদ্দীন আরও বলেন, ‘তেলের দাম বাড়ানোর যৌক্তিক কারণ থাকলে আলোচনা করা যাবে। সরকার সরবরাহ ব্যবস্থা গতিশীল রাখতে চায়। সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত করতে চাই না আমরা।’

ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দাম বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রণালয় কিংবা ট্যারিফ কমিশনের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা তাঁদের বক্তব্য। তাঁদের এ কথা আমরা মানি না।’

রোজার প্রস্তুতির বিষয় জানতে চাইলে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘ভালো প্রস্তুতি আছে। আমরা দেখেছি, আমদানির পর্যায়ে যে পরিমাণ ঋণপত্র খোলা প্রয়োজন, গতবার যে পরিমাণ খোলা হয়েছে, এবার তার চেয়েও বেশি খোলা হচ্ছে। তাই সরবরাহ বিঘ্নিত হবে না।’

ইতিমধ্যে বাজারে কিছু জিনিসের দাম কমেছে বলে জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, চিনির দাম কমছে। ছোলার দামও কমবে। এ ছাড়া ডাল ও ডিমের দাম কমেছে। আরও কিছু জিনিসের দামও কমেছে। সরকার যেকোনো বিষয়ের যৌক্তিক সমাধান চায়।