ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এস আলমের ১৭ হাজার কোটি টাকার জমি ক্রোক

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০২:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় থাকা ১৬ হাজার ৯৪০ কোটি ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা মূল্যের ১৯৩৬ দশমিক ৫০ একর জমি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপরদিকে ঋণের শর্ত ভঙ্গ করে ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের দুই শাখা থেকে ৯ হাজার ৪২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ ও এস এম মাহফুজুর রহমান, সাবেক সিইও ও এমডি মো. আব্দুস সামাদ আজাদসহ ১৬৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা উপ-পরিচালক আখতারুল ইসলাম জানান, দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আদালতে দুদকের পক্ষে সংস্থার উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক এসব জমি ক্রোক চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, এস আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং সংগঠনের অভিযোগের অনুসন্ধানে তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, মোহাম্মদ সাইফুল আলম এস আলম গ্রুপ ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধি-বহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।
অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা এসব স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে ওই টাকা উদ্ধারকরণ দুরূহ হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় এস আলম গ্রুপ ও তার পরিবারের সদস্যসহ তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্ট মোট ১,৯৩৬ দশমিক ৫০ একর জমি, যার আনুমানিক মূল্য ১৬ হাজার ৯৪০ কোটি ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা জরুরিভিত্তিতে ক্রোক করা আবশ্যক।
অন্যদিকে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানান, ঋণের শর্ত ভঙ্গ করে ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের দুই শাখা থেকে ৯ হাজার ৪২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ ও এস এম মাহফুজুর রহমান, সাবেক সিইও ও এমডি মো. আব্দুস সামাদ আজাদসহ ১৬৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করবেন। মামলায় এস আলম গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ডজনখানেক কর্মকর্তা ও মালিকদেরও আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ ঋণ মঞ্জুরিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে সহ-জামানত বৃদ্ধি না করা, অনুমোদনহীন সীমাতিরিক্ত ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড ঋণ সৃষ্টি করা, প্রয়োজনীয় অঙ্গীকারনামা বা গ্যারান্টি না নেওয়া, ঋণের তুলনায় খুবই নগণ্য পরিমাণে এফডিআর জমা রাখা, নিয়মবহির্ভূত আমদানি করা, নির্ধারিত সময়ে ঋণের টাকা আদায় না করা, মর্টগেজকৃত সম্পত্তির অতিরিক্ত মূল্যায়ন করা ও প্রয়োজনের তুলনায় কম সহায়ক জামানত নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। জনতা ব্যাংক পিএলসির সাধারণ বীমা ভবন করপোরেট শাখা ও চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা থেকে ওই ঋণের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডের পরিচালকসহ অন্যান্য ৩২ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১৫২ কোটি ৫১ লাখ ১৪ হাজার ১০৭ টাকা আত্মসাতের প্রথম মামলা; এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক ও ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৩২ কোটি ৩০ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৮ টাকা আত্মসাতে দ্বিতীয় মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেডের পরিচালক ও ব্যাংক কর্মকর্তাসহ অন্যান্য মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৩ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৩০৮ টাকা আত্মসাতে তৃতীয় মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের পরিচালক ও জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার ২৯৭ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ টাকা আত্মসাতে চতুর্থ মামলা এবং এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের পরিচালকসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৯৪২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার ৫৯৪ টাকা আত্মসাতে পঞ্চম মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গত ৭ ডিসেম্বর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই চেয়ারম্যান ও এমডিসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল দুদক।

এস আলমের ১৭ হাজার কোটি টাকার জমি ক্রোক

প্রকাশ : ০২:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের নামে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় থাকা ১৬ হাজার ৯৪০ কোটি ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা মূল্যের ১৯৩৬ দশমিক ৫০ একর জমি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপরদিকে ঋণের শর্ত ভঙ্গ করে ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের দুই শাখা থেকে ৯ হাজার ৪২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ ও এস এম মাহফুজুর রহমান, সাবেক সিইও ও এমডি মো. আব্দুস সামাদ আজাদসহ ১৬৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা উপ-পরিচালক আখতারুল ইসলাম জানান, দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।
আদালতে দুদকের পক্ষে সংস্থার উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক এসব জমি ক্রোক চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, এস আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং সংগঠনের অভিযোগের অনুসন্ধানে তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, মোহাম্মদ সাইফুল আলম এস আলম গ্রুপ ও তার পরিবারের সদস্যসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধি-বহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।
অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা এসব স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে ওই টাকা উদ্ধারকরণ দুরূহ হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় এস আলম গ্রুপ ও তার পরিবারের সদস্যসহ তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্ট মোট ১,৯৩৬ দশমিক ৫০ একর জমি, যার আনুমানিক মূল্য ১৬ হাজার ৯৪০ কোটি ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা জরুরিভিত্তিতে ক্রোক করা আবশ্যক।
অন্যদিকে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানান, ঋণের শর্ত ভঙ্গ করে ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংকের দুই শাখা থেকে ৯ হাজার ৪২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ ও এস এম মাহফুজুর রহমান, সাবেক সিইও ও এমডি মো. আব্দুস সামাদ আজাদসহ ১৬৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত মামলাগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করবেন। মামলায় এস আলম গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ডজনখানেক কর্মকর্তা ও মালিকদেরও আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ ঋণ মঞ্জুরিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে সহ-জামানত বৃদ্ধি না করা, অনুমোদনহীন সীমাতিরিক্ত ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড ঋণ সৃষ্টি করা, প্রয়োজনীয় অঙ্গীকারনামা বা গ্যারান্টি না নেওয়া, ঋণের তুলনায় খুবই নগণ্য পরিমাণে এফডিআর জমা রাখা, নিয়মবহির্ভূত আমদানি করা, নির্ধারিত সময়ে ঋণের টাকা আদায় না করা, মর্টগেজকৃত সম্পত্তির অতিরিক্ত মূল্যায়ন করা ও প্রয়োজনের তুলনায় কম সহায়ক জামানত নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। জনতা ব্যাংক পিএলসির সাধারণ বীমা ভবন করপোরেট শাখা ও চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা থেকে ওই ঋণের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডের পরিচালকসহ অন্যান্য ৩২ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১৫২ কোটি ৫১ লাখ ১৪ হাজার ১০৭ টাকা আত্মসাতের প্রথম মামলা; এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক ও ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৩২ কোটি ৩০ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৮ টাকা আত্মসাতে দ্বিতীয় মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেডের পরিচালক ও ব্যাংক কর্মকর্তাসহ অন্যান্য মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৩ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৩০৮ টাকা আত্মসাতে তৃতীয় মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের পরিচালক ও জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার ২৯৭ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ টাকা আত্মসাতে চতুর্থ মামলা এবং এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের পরিচালকসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ৯৪২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার ৫৯৪ টাকা আত্মসাতে পঞ্চম মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গত ৭ ডিসেম্বর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই চেয়ারম্যান ও এমডিসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল দুদক।