বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা দিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বছর। চলমান নানা ঘটনা বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দেওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
এ অবস্থায় বুলগেরিয়ার রহস্যময় নারী ও তথাকথিত বাবা ভাঙ্গার ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ আবার আলোচনায় এসেছে। বহু বছর আগেই তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, ২০২৬ সাল পৃথিবীতে ‘যুদ্ধ ও ধ্বংস’ ডেকে আনবে।
নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাবা ভাঙ্গা ২০২৬ সালে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার ও ভিনগ্রহের প্রাণীর সঙ্গে মানুষের প্রথম যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার কথা বলে গেছেন।
এর আগে এই নারী যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু ও বিশ্বশক্তি হিসেবে চীনের উত্থানের মতো ঘটনার নির্ভুল পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
বাবা ভাঙ্গা ২০২৬ সালে যুদ্ধ ও ধ্বংসের যে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন, তার সঙ্গে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে।
প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার কূটনৈতিক সম্পর্কে চরম অবনতি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় হস্তক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক, ইরানে ব্যাপক গণবিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত, কলম্বিয়া নিয়ে উদ্বেগসহ বিভিন্ন ঘটনা বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দেওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। এসব খবর বাবা ভাঙ্গার ‘ভবিষ্যদ্বাণীর’ সঙ্গে অনেকটা মিলে যাচ্ছে।
কথিত আছে, ২০২৬ সালের জন্য বাবা ভাঙ্গা তিনটি প্রধান সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। এগুলো হলো—
১. বৈশ্বিক সংঘাত: বড় শক্তিগুলোর বিরোধের জেরে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা।
২. প্রাকৃতিক বিপর্যয়: ভয়াবহ ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মতো চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
৩. অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা: ইউরোপে সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে চরম আর্থিক বিপর্যয়।
বাবা ভাঙ্গার যেসব অনুমান সঠিক হয়েছে- সেগুলো হচ্ছে, ২০০০ সালে রুশ সাবমেরিন ‘কুর্স্ক’ দুর্ঘটনা।
—২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে বিমান হামলা।
—বারাক ওবামার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া।
—চেরনোবিল পারমাণবিক বিপর্যয়।
—বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের উত্থান।
দেশ ডেস্ক 









