ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাসানচর এখন সন্দ্বীপের অংশ

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০৪:৫৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মধ্যে চলতে থাকা দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের অবসান হয়েছে। কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গা নিয়ে যেখানে পুনর্বাসন করা ভাসানচরের ছয়টি মৌজা সন্দ্বীপের অংশ বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

গত ১৩ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের জরিপ শাখা থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা পাঠানো হয়।

২০১৭ সালে ভাসানচরকে হাতিয়ার অন্তর্গত দেখিয়ে তৎকালীন সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। তারপর সন্দ্বীপের সর্বস্তরের মানুষ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। তারপর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সন্দ্বীপ ও হাতিয়ার প্রতিনিধিদের নিয়ে কারিগরি কমিটির কয়েক দফা বৈঠক হয়।

সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেন, ভাসানচর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্দ্বীপের মানুষ আনন্দিত।

ভূমি মন্ত্রণালয় সরেজমিনে পরিদর্শন, ঐতিহাসিক দলিলের মূল্যায়ন ও স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে দ্বীপটির ছয়টি মৌজা সন্দ্বীপের অন্তর্গত বলে প্রতিবেদন দেয় সীমানা বিরোধ নিরসনে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের গঠিত কারিগরি কমিটি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার সরকারি কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের সমন্বয়ে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।

জনপ্রিয়

ভাসানচর এখন সন্দ্বীপের অংশ

প্রকাশ : ০৪:৫৬:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মধ্যে চলতে থাকা দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের অবসান হয়েছে। কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গা নিয়ে যেখানে পুনর্বাসন করা ভাসানচরের ছয়টি মৌজা সন্দ্বীপের অংশ বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

গত ১৩ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয়ের জরিপ শাখা থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা পাঠানো হয়।

২০১৭ সালে ভাসানচরকে হাতিয়ার অন্তর্গত দেখিয়ে তৎকালীন সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। তারপর সন্দ্বীপের সর্বস্তরের মানুষ সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। তারপর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সন্দ্বীপ ও হাতিয়ার প্রতিনিধিদের নিয়ে কারিগরি কমিটির কয়েক দফা বৈঠক হয়।

সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বলেন, ভাসানচর নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্দ্বীপের মানুষ আনন্দিত।

ভূমি মন্ত্রণালয় সরেজমিনে পরিদর্শন, ঐতিহাসিক দলিলের মূল্যায়ন ও স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে দ্বীপটির ছয়টি মৌজা সন্দ্বীপের অন্তর্গত বলে প্রতিবেদন দেয় সীমানা বিরোধ নিরসনে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের গঠিত কারিগরি কমিটি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার সরকারি কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের সমন্বয়ে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়।