ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা ছয় মাস তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম ইরান

  • দেশ ডেস্ক
  • প্রকাশ : ০৮:৩১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • ১৫৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

দিন যতই বাড়ছে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুদ্ধে নিত্য নতুন প্রযুক্তির অস্ত্রের ব্যবহার করছে উভয় পক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে- কোন দেশের কত অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত আছে। সেসব দিয়ে কত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

এমন প্রশ্ন যখন বিশ্বজুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে- ঠিক তখনই ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন নতুন তথ্য।

তিনি বলেছেন, ইরান টানা ছয় মাস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘তীব্র সংঘাত’ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে।এখন পর্যন্ত কেবল ইরান ‘প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। আগামী দিনে উন্নত ও কম ব্যবহৃত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে, যা শত্রুপক্ষের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানের প্রধান তেল শোধনাগার এবং স্টোরেজ ট্যাঙ্কে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। এতে রাজধানী জুড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়েছে।

এছাড়া দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে একটি মিষ্টি জল লবণাক্তকরণ কেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ওই ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। সযার ফলে সাধারণ মানুষের মৌলিক জীবনযাত্রার ওপর এই সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে।

একে একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

এই প্রতিশোধ হিসেবে ইরান বাহরাইনের একটি জল লবণাক্তকরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাহরাইন সরকার।

জনপ্রিয়

টানা ছয় মাস তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম ইরান

প্রকাশ : ০৮:৩১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

দিন যতই বাড়ছে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুদ্ধে নিত্য নতুন প্রযুক্তির অস্ত্রের ব্যবহার করছে উভয় পক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে- কোন দেশের কত অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত আছে। সেসব দিয়ে কত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

এমন প্রশ্ন যখন বিশ্বজুড়ে ঘুরপাক খাচ্ছে- ঠিক তখনই ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন নতুন তথ্য।

তিনি বলেছেন, ইরান টানা ছয় মাস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘তীব্র সংঘাত’ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে।এখন পর্যন্ত কেবল ইরান ‘প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। আগামী দিনে উন্নত ও কম ব্যবহৃত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে, যা শত্রুপক্ষের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানের প্রধান তেল শোধনাগার এবং স্টোরেজ ট্যাঙ্কে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। এতে রাজধানী জুড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়েছে।

এছাড়া দক্ষিণ ইরানের কেশম দ্বীপে একটি মিষ্টি জল লবণাক্তকরণ কেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ওই ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। সযার ফলে সাধারণ মানুষের মৌলিক জীবনযাত্রার ওপর এই সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়েছে।

একে একটি ‘বিপজ্জনক নজির’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

এই প্রতিশোধ হিসেবে ইরান বাহরাইনের একটি জল লবণাক্তকরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাহরাইন সরকার।