ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে ফের অপেক্ষার সারি, হোল্ডিং সেন্টারে ৪৭১ জন

বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় হাকিমপুর সীমান্তে নতুন করে আরও ৮২ জন অবস্থান করছেন। অন্যদিকে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগরের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে বর্তমানে ৪৭১ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে রাখা হয়েছে। তাদের পরিচয় যাচাই এবং বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে অবস্থানকারীদের অধিকাংশই নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করছেন এবং দেশে ফিরে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তসংলগ্ন এলাকাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপনের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ১৩টি হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১টি বর্তমানে কার্যকর রয়েছে। তবে অধিকাংশ কেন্দ্রেই এখন লোকসংখ্যা তুলনামূলক কম।

প্রশাসনের তথ্যমতে, শিলিগুড়ির একটি হোল্ডিং সেন্টারে এখনও আটজন অবস্থান করছেন। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে আটক পাঁচজনও হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন। ইতোমধ্যে মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া ও দিনাজপুরের কয়েকটি কেন্দ্র খালি হয়ে গেছে।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাপ রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হাকিমপুর এলাকায়। স্থানীয় চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত আরও ৮২ জন নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। প্রশাসনের দাবি, প্রতিদিনই নতুন করে সীমান্ত এলাকায় এমন ব্যক্তিদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের অনেকেই অতীতে দালালের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্তপথ ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে তারা দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে বসবাস ও কাজ করেছেন। অনেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি সুবিধাও গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে থাকা ব্যক্তিদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিস স্ক্যানসহ বিভিন্ন বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিএসএফের বিশেষ টিম এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছে। তাদের খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তথ্য যাচাইয়ের পুরো প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেখানেই রাখা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সীমান্তে ফের অপেক্ষার সারি, হোল্ডিং সেন্টারে ৪৭১ জন

প্রকাশ : ১১:১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় হাকিমপুর সীমান্তে নতুন করে আরও ৮২ জন অবস্থান করছেন। অন্যদিকে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগরের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে বর্তমানে ৪৭১ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে রাখা হয়েছে। তাদের পরিচয় যাচাই এবং বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে অবস্থানকারীদের অধিকাংশই নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক বলে দাবি করছেন এবং দেশে ফিরে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তসংলগ্ন এলাকাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপনের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ১৩টি হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১টি বর্তমানে কার্যকর রয়েছে। তবে অধিকাংশ কেন্দ্রেই এখন লোকসংখ্যা তুলনামূলক কম।

প্রশাসনের তথ্যমতে, শিলিগুড়ির একটি হোল্ডিং সেন্টারে এখনও আটজন অবস্থান করছেন। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও ভারতে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে আটক পাঁচজনও হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন। ইতোমধ্যে মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া ও দিনাজপুরের কয়েকটি কেন্দ্র খালি হয়ে গেছে।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাপ রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হাকিমপুর এলাকায়। স্থানীয় চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত আরও ৮২ জন নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। প্রশাসনের দাবি, প্রতিদিনই নতুন করে সীমান্ত এলাকায় এমন ব্যক্তিদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের অনেকেই অতীতে দালালের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্তপথ ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে তারা দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে বসবাস ও কাজ করেছেন। অনেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি সুবিধাও গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে থাকা ব্যক্তিদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিস স্ক্যানসহ বিভিন্ন বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিএসএফের বিশেষ টিম এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করছে। তাদের খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তথ্য যাচাইয়ের পুরো প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেখানেই রাখা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।