ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ছাত্রদলের সমাবেশে তারেক রহমান

প্রতিহিংসার রাজনীতি আর নয়

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ০১:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪২৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের পক্ষ্যে হোক মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি তারুণ্য ও নারীর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশ এগিয়ে নেবে।
রোববার বিকেলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সমাবেশে তিনি এসব কথা জানান। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে বিএনপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই ছাত্র-সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বলেন, গত দেড় দশকে ৪ কোটির বেশি নতুন ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সামনে জাতীয় নির্বাচন। এবার তোমাদের হারানো অধিকার ফিরে পাওয়ার সময়। ধানের শীষ প্রতীকে তোমাদের প্রথম ভোট হবে তোমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার।
তিনি বলেন, চলো, আজ আমরা সবাই একসঙ্গে প্রতিজ্ঞা করি- আমাদের প্রথম ভোট, হবে বাংলাদেশের পুনর্গঠনের জন্য। আমাদের প্রথম ভোট হবে শহীদদের রক্তের মর্যাদা রাখার জন্য। আমাদের প্রথম ভোট, হোক ধানের শীষের জন্য। ইনশাআল্লাহ।
এসময় তারেক রহমান বলেন, ‘বিভেদ-প্রতিহিংসার রাজনীতি আর নয়, দেশের জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে গুণগত রাজনীতি দেখ চায়।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি হাজার হাজার নেতাকর্মী হতাহত হয়েছে।’
সমাবেশে তরুণদের কাছে ধানের শীষের জন্য ভোট চান তারেক রহমান। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের জন্য হোক।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার উত্থান কিংবা পুনর্বাসন ঠেকাতে শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে এবং সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।’
বিগত সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে গত দেড় দশকে ভোটার তালিকায় এ পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে। তোমরা ভোটার হলেও ফ্যাসিবাদ চক্র তোমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।’
ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন সামনে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তোমাদের হারানো ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক বিরাট সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপির গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পলাতক স্বৈরাচারের শাসন আমলে গত দেড় দশকে ভোট প্রয়োগে অধিকার বঞ্চিত সাড়ে ৩ কোটি ভোটারসহ সবার সমর্থন ও সহযোগিতা চাই।’
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণই বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক শক্তির প্রকৃত উৎস।
ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাহসিকতার প্রশংসা করে তারেক রহমান বলেন, গত বছরের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের শত শত নেতা-কর্মী আহত ও গ্রেপ্তার হন। শুধুমাত্র ওই সময়েই ছাত্রদলের দুই হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, তোমাদের মতো সাহসী সন্তানরা যেখানে আছে, সেই সংগঠনকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এখন কথামালার রাজনীতি নয়, বরং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের রাজনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাগত দক্ষতা অর্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপি ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
এর আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে শাহবাগ মোড়ে টিএসসির দিকে মুখ করে মঞ্চ তৈরি করা হয়। শাহবাগ মোড় থেকে একদিকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে কাঁটাবন মোড় এবং সামনের দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউট পর্যন্ত নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মী আসে এই সমাবেশে। সকাল থেকে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে মেলে সমাবেশস্থলে। থেমে থেমে নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন। কারও হাতে জাতীয় পতাকা, আবার কারও হাতে দলীয় পতাকাও ছিল।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই ছাত্র সমাবেশ শুরু হয়। এরপর বক্তব্য দেন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল মালুম।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সঞ্চালনায় সমাবেশমঞ্চে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেকে।
এসময় মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, সারা দেশের মানুষ সে অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, তার আগে বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করে আছেন, তাদের নেতা তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে তাদের নেতৃত্ব দেবেন, সেই প্রত্যাশার কথাও উল্লেখ করেন দলটির মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আজকে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে বাংলাদেশে বিভক্তি সৃষ্টি করার।’
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘আজকের এই সমাবেশ থেকে আমাদের শপথ নিতে হবে যে আমরা কোনো দিনই শেখ হাসিনাকে আর এই দেশে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ দেব না। শপথ নিতে হবে যে আমরা কারও কাছে কোনো দিন মাথানত করব না। আমরা আমাদের দেশকে নিজেরাই স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তুলব।’

জনপ্রিয়

ছাত্রদলের সমাবেশে তারেক রহমান

প্রতিহিংসার রাজনীতি আর নয়

প্রকাশ : ০১:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের পক্ষ্যে হোক মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি তারুণ্য ও নারীর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশ এগিয়ে নেবে।
রোববার বিকেলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সমাবেশে তিনি এসব কথা জানান। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে বিএনপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই ছাত্র-সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান বলেন, গত দেড় দশকে ৪ কোটির বেশি নতুন ভোটার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সামনে জাতীয় নির্বাচন। এবার তোমাদের হারানো অধিকার ফিরে পাওয়ার সময়। ধানের শীষ প্রতীকে তোমাদের প্রথম ভোট হবে তোমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার।
তিনি বলেন, চলো, আজ আমরা সবাই একসঙ্গে প্রতিজ্ঞা করি- আমাদের প্রথম ভোট, হবে বাংলাদেশের পুনর্গঠনের জন্য। আমাদের প্রথম ভোট হবে শহীদদের রক্তের মর্যাদা রাখার জন্য। আমাদের প্রথম ভোট, হোক ধানের শীষের জন্য। ইনশাআল্লাহ।
এসময় তারেক রহমান বলেন, ‘বিভেদ-প্রতিহিংসার রাজনীতি আর নয়, দেশের জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে গুণগত রাজনীতি দেখ চায়।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি হাজার হাজার নেতাকর্মী হতাহত হয়েছে।’
সমাবেশে তরুণদের কাছে ধানের শীষের জন্য ভোট চান তারেক রহমান। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের জন্য হোক।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার উত্থান কিংবা পুনর্বাসন ঠেকাতে শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে এবং সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।’
বিগত সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে গত দেড় দশকে ভোটার তালিকায় এ পর্যন্ত প্রায় ৪ কোটি নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে। তোমরা ভোটার হলেও ফ্যাসিবাদ চক্র তোমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।’
ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন সামনে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তোমাদের হারানো ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক বিরাট সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপির গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পলাতক স্বৈরাচারের শাসন আমলে গত দেড় দশকে ভোট প্রয়োগে অধিকার বঞ্চিত সাড়ে ৩ কোটি ভোটারসহ সবার সমর্থন ও সহযোগিতা চাই।’
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণই বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক শক্তির প্রকৃত উৎস।
ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাহসিকতার প্রশংসা করে তারেক রহমান বলেন, গত বছরের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্রদলের শত শত নেতা-কর্মী আহত ও গ্রেপ্তার হন। শুধুমাত্র ওই সময়েই ছাত্রদলের দুই হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, তোমাদের মতো সাহসী সন্তানরা যেখানে আছে, সেই সংগঠনকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এখন কথামালার রাজনীতি নয়, বরং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের রাজনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাগত দক্ষতা অর্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপি ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।
এর আগে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে শাহবাগ মোড়ে টিএসসির দিকে মুখ করে মঞ্চ তৈরি করা হয়। শাহবাগ মোড় থেকে একদিকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে কাঁটাবন মোড় এবং সামনের দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউট পর্যন্ত নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মী আসে এই সমাবেশে। সকাল থেকে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। খণ্ড খণ্ড মিছিল এসে মেলে সমাবেশস্থলে। থেমে থেমে নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন। কারও হাতে জাতীয় পতাকা, আবার কারও হাতে দলীয় পতাকাও ছিল।
ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই ছাত্র সমাবেশ শুরু হয়। এরপর বক্তব্য দেন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল মালুম।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের সঞ্চালনায় সমাবেশমঞ্চে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেকে।
এসময় মির্জা ফখরুল ইসলাম জানান, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, সারা দেশের মানুষ সে অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, তার আগে বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করে আছেন, তাদের নেতা তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে তাদের নেতৃত্ব দেবেন, সেই প্রত্যাশার কথাও উল্লেখ করেন দলটির মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আজকে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে বাংলাদেশে বিভক্তি সৃষ্টি করার।’
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘আজকের এই সমাবেশ থেকে আমাদের শপথ নিতে হবে যে আমরা কোনো দিনই শেখ হাসিনাকে আর এই দেশে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ দেব না। শপথ নিতে হবে যে আমরা কারও কাছে কোনো দিন মাথানত করব না। আমরা আমাদের দেশকে নিজেরাই স্বয়ংসম্পূর্ণ করে গড়ে তুলব।’