ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কীভাবে যে ঘটনাটি ঘটেছে আমি বুঝতে পারি নাই

  • দেশ প্রতিবেদক
  • প্রকাশ : ১২:১৪:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ১৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা হাইকোর্টে করা জেল আপিলে নিজের অপরাধের দায় স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, চরম আর্থিক সংকট, পারিবারিক কলহ এবং মাদকাসক্ত অবস্থার কারণে ঘটনাটি ঘটেছিল।

রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্টে দাখিল করা জেল আপিলে সোহেল রানা বলেন, তিনি একজন অটোরিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত ছিলেন। নেশাগ্রস্ত থাকার কারণে পরিবারে প্রায়ই অশান্তি ও ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত।

আপিলে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। আর্থিক অনটন, পারিবারিক অস্থিরতা এবং মাদকাসক্তির কারণেই তিনি নিজের আচরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ ঘটনায় গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।

জেল আপিলে সোহেল রানা আরও বলেন, এর আগে তিনি কখনও কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। তাঁর একমাত্র সন্তান রয়েছে, যার পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেওয়ার মতোও কেউ নেই বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি স্বপ্না আক্তার নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে হাইকোর্টে খালাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, মামলার ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হাইকোর্টে পৃথক জেল আপিল দায়ের করেন। রোববার বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন।

এখন মামলার ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের ওপর উচ্চ আদালতে বিস্তারিত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা, পরিবর্তন কিংবা বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় এবং পরবর্তী আপিল কার্যক্রম দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উচ্চ আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এখন সবার নজর।

কীভাবে যে ঘটনাটি ঘটেছে আমি বুঝতে পারি নাই

প্রকাশ : ১২:১৪:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা হাইকোর্টে করা জেল আপিলে নিজের অপরাধের দায় স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, চরম আর্থিক সংকট, পারিবারিক কলহ এবং মাদকাসক্ত অবস্থার কারণে ঘটনাটি ঘটেছিল।

রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্টে দাখিল করা জেল আপিলে সোহেল রানা বলেন, তিনি একজন অটোরিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত ছিলেন। নেশাগ্রস্ত থাকার কারণে পরিবারে প্রায়ই অশান্তি ও ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত।

আপিলে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার সময় তিনি মাদকাসক্ত ও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। আর্থিক অনটন, পারিবারিক অস্থিরতা এবং মাদকাসক্তির কারণেই তিনি নিজের আচরণের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ ঘটনায় গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি।

জেল আপিলে সোহেল রানা আরও বলেন, এর আগে তিনি কখনও কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। তাঁর একমাত্র সন্তান রয়েছে, যার পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেওয়ার মতোও কেউ নেই বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে একই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি স্বপ্না আক্তার নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে হাইকোর্টে খালাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, মামলার ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হাইকোর্টে পৃথক জেল আপিল দায়ের করেন। রোববার বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন।

এখন মামলার ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের ওপর উচ্চ আদালতে বিস্তারিত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা, পরিবর্তন কিংবা বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় এবং পরবর্তী আপিল কার্যক্রম দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উচ্চ আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এখন সবার নজর।