ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ শিশুর মৃত্যু, মা-বাবা দগ্ধ

গাজীপুর মহানগরীর মীরেরবাজার এলাকায় গ্যাসলাইনের ছিদ্র থেকে বিস্ফোরণে আড়াই মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়ে শিশুটির মা-বাবাও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মীরেরবাজার এলাকার সাজ্জাদ হোসেনের বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শিশুর নাম মো. রায়হান। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন রায়হানের বাবা রিপন হোসেন (২৩) ও মা হাফিজা আক্তার (২০)।
স্থানীয় লোকজন বলেন, রিপন-হাফিজা দম্পতি গতকাল (শনিবার) ওই বাসায় উঠেন। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শিশুর দুধ বানাতে রান্নাঘরে গিয়ে চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করছিলেন হাফিজা। তখনই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর বাড়ির অন্য ভাড়াটেরা তিনজনকে উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক শিশু রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন। রিপন ও হাফিজাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুসহ তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় নিয়ে আসা হলে পরী¶া-নিরী¶া শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। শিশুটির বাবার শরীরের ৮০ শতাংশ ও মায়ের শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
রিপন হোসেন ও তার স্ত্রী হাফিজা আক্তার গত শনিবার গাজীপুর মহানগরীর মীরেরবাজার এলাকার এই বাসায় উঠেছিলেন
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, ভোরে রান্না করার সময় চুলার লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ওই তিনজনই দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে শিশুটির মৃত্যু হয় এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ওসি আরও বলেন, ওই দম্পতির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের চিকিৎসা চলছে।

জনপ্রিয়

গ্যাসের চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ শিশুর মৃত্যু, মা-বাবা দগ্ধ

প্রকাশ : ১২:৩৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুর মহানগরীর মীরেরবাজার এলাকায় গ্যাসলাইনের ছিদ্র থেকে বিস্ফোরণে আড়াই মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়ে শিশুটির মা-বাবাও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মীরেরবাজার এলাকার সাজ্জাদ হোসেনের বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শিশুর নাম মো. রায়হান। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন রায়হানের বাবা রিপন হোসেন (২৩) ও মা হাফিজা আক্তার (২০)।
স্থানীয় লোকজন বলেন, রিপন-হাফিজা দম্পতি গতকাল (শনিবার) ওই বাসায় উঠেন। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে শিশুর দুধ বানাতে রান্নাঘরে গিয়ে চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করছিলেন হাফিজা। তখনই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর বাড়ির অন্য ভাড়াটেরা তিনজনকে উদ্ধার করে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক শিশু রায়হানকে মৃত ঘোষণা করেন। রিপন ও হাফিজাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুসহ তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় নিয়ে আসা হলে পরী¶া-নিরী¶া শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। শিশুটির বাবার শরীরের ৮০ শতাংশ ও মায়ের শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
রিপন হোসেন ও তার স্ত্রী হাফিজা আক্তার গত শনিবার গাজীপুর মহানগরীর মীরেরবাজার এলাকার এই বাসায় উঠেছিলেন
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, ভোরে রান্না করার সময় চুলার লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ওই তিনজনই দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে শিশুটির মৃত্যু হয় এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ওসি আরও বলেন, ওই দম্পতির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের চিকিৎসা চলছে।